Off Page SEO কি? অফপেজ এসইও কিভাবে করতে হয়

off page seo কি? অফপেজ এসইও কিভাবে করতে হয় সবকিছুর আলোচনা হয়েছে। OFF Page seo ্এবং Link Building এর ভিতর কোনো পার্থক্য নেই।

513 VIEWS

off page seo কি

Off Page SEO কি? SEO সাধারণত দুই ধরণের হয়: ১. On page seo, ২. Off page seo

অনপেজ এসইও কি সেটা আলোচনা করা হয়েছে। একটি ওয়েবসাইটে অনপেজ এসইও -র সাথে সাথে অফপেজ এসইও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

একটি ওয়েবসাইটে ৯৫% ভিজিটর গুগল সার্চের মাধ্যমে আসে, তাই বেশি ভিজিটর পেতে হলে সার্চ ইঞ্জিন (গুগলে) আপনার সাইট র‌্যাংক হওয়া চাই।

কিভাবে একটি ওয়েবসাইট গুগলের প্রথম পেজে আসবে? অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (SEO) মাধ্যমে; সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ টপিক অফপেজ এসইও (Off page seo)

অর্থাৎ অফপেজ এসইও বাদ দিয়ে আপনার সাইট এসইও করতে পারবেন না মানে গুগলে র‌্যাক করাতে পারবেন না।

চলুন শুরু করা যাক, আজকের HOT 🔥 Topic: Off Page seo

Off page seo বলতে সাধারণত Link building বোঝায়; অনেকে তো Link building off page seo বলে থাকে।

Off Page SEO কি?

অফপেজ এসইও বুঝতে হলে জানতে হবে, অনপেজ এসইও কাকে বলে। অনপেজ এসইও হল ওয়েবসাইটের ভিতরে থেকে SEO করা।

অর্থাৎ সঠিক টাইটেল, ট্যাগ ব্যবহার করে গুগল বটকে কন্টেন্ট সম্পর্কে বুঝিয়ে বলা। সত্য বলতে একটি সাইটের র‌্যাংকের পেছনে Off page seo থেকে On page seo বেশি গুরুত্ব বহন করে।

তবে যেহেতেু বর্তমানে SEO মার্কেটে কম্পিটিশন বেশি, সবাই আধা-জল খেয়ে মাঠে নেমেছে SEO করে প্রথম পেজে আসবে।

তাই আপনাকে অফপেজ এসইও করতে হবে; না হলে আপনি পিছিয়ে যাবেন, ভিজিটর পাবেন না।

একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট র‌্যাংক করার জন্য যে কার্যক্রম গুলো ওয়েবসাইটের বাইরে থেকে করতে হয় তাকে অফ পেজ এসইও বলে।

অর্থাৎ বিভিন্ন ওয়েবসাইট, সোস্যাল সাইটে ব্যাকলিংক করার মাধ্যমে অফপেজ এসইও করা হয়। Off page seo মূলত Link Building কে বুঝিয়ে থাকে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে অফ পেজ এসইও এর গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু মাত্র অন পেজ এসইও দ্বারা একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে সার্চ ইন্জিনে র‌্যাংক করনো খুবই কষ্ট সাধ্য কাজ।

তাই আপনার মনোযোগ On page seo -র পাশাপশি Off page seo -র হালকা দিকেও দিতে হবে।

অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন কি (What is off page ‍SEO optimization) বুঝেছেন। না বুঝলে কমেন্ট করুন।

অফপেজ এসইও কিভাবে করতে হয়?

Off page seo হল লিংক বিল্ডিংয়ের ছদ্দনাম বল যায়। কিভাবে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক আনবেন, সেটার উপর আলোকপাত করব।

কোন ধরণের ওয়েবসাইটের লিংক আপনার সাইটের জন্য ভালো ও খারাপ সেটাও আলোচনা করা হবে।

তো চলুন জেনে নেই,

Backlink কত ধরনের হয়

SEO দিক বিচার করলে ব্যাকলিংক সাধারণত ২ প্রকার:

  1. Do-follow
  2. No-follow
off page seo কি
লিংক দেখতে যেমন হয়

Do follow link কি

Off page seo / Link building এর প্রাণ হচ্ছে Do follow link.

একটি ওয়েবসাইটের অথোরিটি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ডু ফলো লিংক সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রাখে। তবে ডু-ফলো লিংক নেয়ার সময় কিছু বিষয় জানা জরুরী।

আপনি যদি ডু-ফলো লিংক এমন কোনো ওয়েবসাইট থেকে নেন যেটা গুগলের নজরে খারাপ, যেমন: ওয়েবসাইটটি স্প্যামি, এডাল্ট কন্টেন্ট যুক্ত তাহলে আপনার সাইটের লাভের চেয়ে ক্ষতি হবে।

যে কোন ওয়েবসাইট হতে ব্যাকলিংক নেবার ক্ষেত্রে উক্ত সাইটের যে সব বিষয় পর্যালোচনা করে নিবেন –

  • ওয়েবসাইটটি আপনার সাইটের সাথে রিলেভেন্ট কি না।
  • উক্ত সাইটের DA (Domain Authority) এবং PA (Page Authority) ভালো কি না।
  • উক্ত সাইটের SS (Spam Score) বেশি কিনা।

সবচেয়ে ভালো হয় যদি, ব্যাকলিংক দেয়া সাইট ও আপনার সাইটের নিস এক; তাহলে এই লিংকটা অনেক শক্তিশালী লিংক আপনার সাইটের জন্য।

No follow link ki

যে সমস্ত লিংক র‌্যাংকিং এর ক্ষেত্রে তেমন কোন গুরুত্ব বহন করে না, এবং সার্চ ইন্জিনকে আমরা কমান্ড দিয়ে থাকি যেন সে উক্ত লিংকটিকে Crawl না করে সে সমস্ত লিংককে নো-ফলো ব্যাকলিংক (No-Follow) বলে।

এই ব্যাকলিংক থাকায় বা না থাকায় আপনার সাইটের কোনো লাভ নেই। কারণ No-follow লিংকে আপনার DA (ডোমেইন অথোরিটি) বাড়ে না।

অনেকে বলতে পারে, DA গুগলের কোনো র‌্যাংক ম্যাট্রিক্স না। কিন্ত My Personal Experience থেকে দেখেছি, গুগলে র‌্যাংকিয়ে সাইটের ডোমেইন অথোরিটি / ডোমেইন রেটিং গুরুত্ব বহণ করে।

তাইতো প্রথম আলোর প্রযুক্তি বিষয়ক কন্টেন্টে কোয়ালিটি খারাপ হলেও গুগলে র‌্যাক করে। [কোনো ওয়েবসাইটকে ছোট করার উদ্দেশ্য বলি নাই, শুধুমাত্র বোঝানোর জন্য]

বিভিন্ন সোস্যাল সাইটে আপনি যে লিংক শেয়ার করেন সাধারণত সেগুলো No-follow হয়ে থাকে।

তাই বলে সোস্যাল সাইটগুলোই আজ থেকে লিংক শেয়ারিং করা বাদ দিবেন না। সোস্যাল সাইটের লিংক নো-ফলো হলেও সেখান থেকে ভিজিটর আসে। যা আপনার সাইটের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

DA ও PA checking tool

ডু-ফলো ব্যাকলিংক নেবার ক্ষেত্রে সর্বদা High DA (Domain Authority) এবং High PA (Page Authority) সম্পন্ন সাইট বাছাই করা উচিত।

যে সব সাইটের DA এবং PA অনেক বেশি সেখানকার ব্যাকলিংক ও সার্চ ইন্জিন গুলোর কাছে অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে।

তাই কোনো ওয়েবসাইট থেকে লিংক নেয়ার আগে যেকোনো DA, PA পরিমাপ করার টুলস থেকে জেনে নিন; সেই সাইটের ডিএ, পিএ কত।

কোথায় ব্যাকলিংক করব?

Off page seo মানে ব্যাকলিংক করা। এখন আমরা জানব কোথায় কোথায় ব্যাকলিংক করতে পারি ও কোন ব্যাকলিংক আমাদের সাইটের জন্য ভালো হবে।

SEO এর শক্তি বিচারে ব্যাকলিংক ৩ প্রকার:

  1. দূর্বল ব্যাকলিংক
  2. মধ্যম ব্যাকলিংক
  3. শক্তিশালী Backlink

আমরা এই তিন টাইপের ব্যাকলিংক জেনারেট করতে পারি। কোন ধরণের সাইট থেকে কেমন ব্যাকলিংক পাবেন তা আলোচনার করা হল।

Off page seo: দূর্বল Backlink

off page seo এর ক্ষেত্রে এই ধরণের ব্যাকলিংকের কোনো গুরুত্ব নেই বললেই চলে। তবে গুগলের সন্দেহ এড়াতে দূর্বল Backlink করে থাকি।

গুগল কখনও আপনাকে ব্যাকলিংক করার অনুমতি প্রদান করে না। তাই গুগল যদি ধরতে পারে, আপনি নিজে নিজের ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিংক করছেন, তাহলে পেনাল্টি দিবে।

তাই অধিকাংশ মার্কেটাররা মোট Backlink -এর 20% দূর্বল ব্যাকলিংক করে থাকে। তাছাড়া এই ব্যাকলিংক আপনার সাইটে কিছু হলেও গুরুত্ব বহন করে।

সাধারণত বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া ও বুকমার্ক সাইটগুলো দূর্বল ব্যাকলিংক দিয়ে থাকে। এই ধরণের ব্যাকলিংক তৈরি করা খুবই সহজ।

কিছু সোস্যাল মিডিয়া সাইটের নাম:-

  • কোরা
  • ফেসবুক
  • টুইটার
  • ইউটিউব
  • পিন্টারেস্ট
  • মিডিয়াম

এগুলোয় আপনি যে লিংকগুলো শেয়ার করে থাকেন সবগুলোই No-Follow লিংক। তাই এগুলো এসইও বা Backlink হিসেবে দূর্বল লিংক।

Off page seo: মধ্যম Backlink

মধ্যম ব্যাকলিংক নামটি শুনেই বুঝতে পারছেন, off page seo তে এই লিংকের গুরুত্ব দূর্বল ও শক্তিশালী লিংকের মাঝামাঝি।

এখানে অনেকে হয়তো web 2.0 নামটি শুনে থাকবেন। মধ্যম Backlink সাধারণত web2.0 ও PBN এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়।

অফপেজ এসইও করতে এই লিংকের গুরুত্ব মাঝারি হলেও অধিকাংশ মার্কেটার এটিই সবচেয়ে বেশি করে। কারণ মধ্যম ব্যাকলিংক তৈরি করা একটু কঠিন হলেও মোটামুটি সহজ।

কিভাবে আপনি মধ্যম ব্যাকলিংক পাবেন? হ্যা মধ্যম ব্যাকলিংক কিন্তু অবশ্যই Do-follow লিংক হয়ে থাকে।

মধ্যম ব্যাকলিংক পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় গুলো হল:-

ফ্রিতে ওয়েবসাইট তৈরি:

অনলাইনে বিভিন্ন প্লাটফরমে (blogger, wordpress) ফ্রিতে ওয়েবসাইট বানানো যায়। তাদের সাব ডোমেইনে আপনি ফ্রিতে একটি ওয়েবসাইট বানাতে পারেন।

আপনার কাজ হল এসব ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করুন। সেখানে ৫ টার মতো পোস্ট লিখুন; এবং যে কোনোভাবে আপনার ওয়েবসাইটের ২টি লিংক বসিয়ে দিবেন।

ব্যাস আপনার সাইটের ২ টি মধ্যম শক্তিশালী ব্যাকলিংক হয়ে যাবে।

web 2.0 এর ক্ষেত্রে কিছু বিষয়:

VPN ব্যবহার করুন, যাতে গুগল সহজে আপনাকে ট্রাক করতে না পারে; কারণ ট্রাক করতে পারলে পেনাল্টি দিতে পারে।

আলাদা ব্রাউজার ও ই-মেইল ব্যবহার করুন। যতটা পারা যায়, গুগলের ট্রাকিং থেকে বাচার চেষ্টা করুন।

একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখান থেকে ২ – ৫ টার বেশি লিংক নিবেন না। বেশি লিংক করলে গুগল বুঝে যাবে, আপনি স্প্যামিং করছেন।

লিংকগুলো পেজের উপরের দিকে রাখার চেষ্টা করুন। উপরে থাকা লিংকগেুলোকে গুগল বেশি গুরুত্ব দেয়।

মূলত এই উপায়গুলো ফলো করলে আপনি মোটামুটি মানের ব্যাকলিংক বানাতে পারবেন ও গুগলের কু-নজর থেকে বাচতে পারবেন।

WEB 2.0 সাইটের লিস্ট:

এছাড়া আপনি অনলাইনে আরো অনেক সাইটের লিস্ট পাবেন। যেখানে আপনি ফ্রিতে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। বিভিন্ন প্লাটফর্মে অনেকগুলো সাইট বানান ও প্রতিটি থেকে ২-৫ টি লিংক নিন।

আরেকটি বিষয়, একদিনে অনেকগুলো সাইট তৈরি করবেন না। আস্তে আস্তে সময় নিয়ে সাইট তৈরি করে ব্যাকলিংক নিন।

শক্তিশালী Backlink

মধ্যম ব্যাকলিংকের মতো এই ব্যাকলিংক ও Do-follow লিংক হবে।

তাহলে মধ্যম Backlink ও strong backlink এর পার্থক্য কি?

মধ্যম ব্যাকলিংটি Low authority সাইট থেকে নেয়া এবং শক্তিশালী Backlink টি High Authority ও নিস সাইট থেকে নেয়া।

শক্তিশালী ব্যাকলিংক তৈরি করা খুবই কঠিন। কারণ হাই-অথোরিটি নিস সাইটগুলো কাউকে লিংক দিতে চাই না।

তাহলে কিভাবে আমরা হাই অথোরিটি সাইট থেকে লিংক পবো?

আপনার নিসের সাথে মিল আছে ও সেই সাইটের অথোরিটি মানে DA ভালো এমন কিছু সাইট খুজে লিস্ট করুন।

পাশাপশি সাইটের মালিকের কন্টাক্ট ই-মেইল খুজে বের করুন।

এবার আপনি প্লান করুন বা Backlink স্ট্রাটেজির উপর কাজ শরু করুন। মানে কিভাবে তাদের থেকে লিংক নিবেন চিন্তা করুন।

কেউ ফ্রিতে বা এমনিতে আপনাকে লিংক দিবে না। আপনি হলেও দিতেন না, তাই সঠিক পরিকল্পনা করে কৌশলে লিংক নিন।

আপনাদের সুবিধার জন্য কিছু কৌশল তুলে ধরা হল:

গেস্ট পোস্ট: আপনার যদি ভালো কন্টেন্ট লেখার দক্ষতা থাকে, আপনি অন্যকে পোস্টের অফার দিয়ে ইমেইল করতে পারেন। যেমন: তার ওয়েবসাইট ভালোভাবে দেখে, তার ওয়েবসাইটের জন্য একটি ভালো পোস্ট লিখে দিবেন; বিনিময়ে একটি লিংক চাইবেন।

ব্রোকেন লিংক: আপানর লিস্টের সাইট এনালাইজ করুন। সেখানে ব্রোকেন লিংক খুজে বার করুন।

ব্রোকেন লিংকের পোস্টটি কি ছিলো Arcive.org থেকে দেখে নিয়ে কোয়ালিটি সম্পন্ন একটি পোস্ট আপনার সাইটে লিখুন। এবং সাইটের মালিকের কাছে ই-মেইল পাঠন।

সরাসরী লিংক নিন: অনেকসময় আমাদের পরিচিত অনেকে ব্লগিং করে। তাদের কাছ থেকে লিংক নিতে পারেন। ফ্রিতে না নিয়ে গেস্ট পোস্টের মাধ্যমে নিলে ভালো হয়; প্রফেশনালিজম বলে একটা কথা আছে না।

লিংক ক্রয়: আপনার টাকা খরচ করার মতো সামর্থ থাকলে লিংক কিনতে পারেন। ওয়েবসাইটের মালিকের সাথে যোগাযোগ করুন; এবং আপনার প্রোপোজাল পাঠান।

Conclusions

Off page seo কি, আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এবং কিভাবে অফপেজ এসইও অপটিমাইজ করতে হয় ধারণা পেয়েছেন।

সবসময় লিংক বিল্ডিংয়ের সময় ২০% দূর্বল, ৪০% মধ্যম ও ৪০% শক্তিশালী লিংক বিল্ড করবেন। এটা কোনো সূত্র নয়, আপনি চাইলে কমবেশি করবেন।

লিংক বিল্ডিং বা অফপেজ এসইও কখনও শেষ হবে না। আপনাকে নিয়মিত আপনার সাইটের জন্য linkbuild করতে হবে।

গুগলকে কখনও বুঝতে দেয়া যাকে না, আপনি নিজের লিংক নিজে শেয়ার করছেন। কখনও একবারে অধিক ব্যাকলিংক তৈরি করা যাবে না।

অনেকে কিছু ৭ দিনে ১০০০+ লিংক বিল্ড করে ৩ মাস হারিয়ে যায়। এমন করা যাবে না; নিয়মিত অল্প অল্প করে লিংক বিল্ড করতে হবে। তবেই আপনার off page seo করার সফলতা আসবে।

off page seo ও On page seo কোনটির গুরুত্ব বেশি?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে দুটোরই গুরুত্ব আছে। কোনোটিকে বাদ দিয়ে চলতে পারবেন না।
তবে আমি বলব অনপেজ এসইও আগে করুন তারপর off page seo করুন। কারণ অনপেজ এসইও কন্টেন্ট কোয়ালিটির সাথে যুক্ত। কন্টেন্ট কোয়ালিটি ভালো না হলে; কোনো এসইওই ভাত নাই।
সাইকেলের যেমন দুই চাকারই গুরুত্ব আছে সাইকেল চলার জন্য, তেমনি অনপেজ ও অফপেজ এসইও দুইটি চাকার মতো।

Off page seo করার সময় কোন কথাগুলো অবশ্যই মাথায় রাখা দরকার?

Off page seo করার সময় সাধারণ জ্ঞানের ব্যবহার বাড়াতে হবে। আপনাকে এমনভাবে লিংক বিল্ড করতে হবে, যেন গুগল দেখে মনে করে এগুলো ন্যাচারল লিংক। আপনার ফলোয়রা শেয়ার করেছেন
কখনও গুগলের যেন সন্দেহ না হয়, এই লিংকগুলো ইচ্ছাকৃত তৈরি করা।

আপনার SEO Journey সফল হোক ❤️

প্রযুক্তির প্রতি চরম আকর্ষণ থেকেই টেলিকমিউনিকেশনে পড়ছি। প্রযুক্তির কঠিন বিষয়গুলি সহজভাবে মানুষকে বলতে খুবই ভাল্লাগে। এই ভালোলাগা থেকেই লেখালিখি শুরু। ওয়েব ডেভলপমেন্ট ও নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা আমার নেশা ও পেশা।

মন্তব্য করুনঃ-