ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম (Professionally)

ইউটিউব চ্যানেল খোলার উপায়। ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন (Youtube channel customization) .ইউটিউবে আয়ের প্রথম শর্ত হল একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকা।

1076 VIEWS

create a youtube channel

বর্তমানে নতুন একধরণের সেলিব্রিটির জন্ম হচ্ছে, যারা সোস্যাল মিডিয়া সেলিব্রিটি নামে পরিচিত। সোস্যাল মিডিয়া সেলিব্রিটি কি? সোস্যাল মিডিয়া সেলিব্রিটিরা কারা? চলুন এই দুটি প্রশ্নের উত্তর জেনে নিই।

আসলে সোস্যাল মিডিয়া (ইউটিউব, টিকটক, ফেসবুক) ব্যবহার করে যারা সকলের নজরে আসে বা পরিচিতি পাই তারাই সোস্যাল মিডিয়া সেলিব্রিটি। এরা কিন্তু কোনো অংশে সেলিব্রিটিদের থেকে কম নয়।

এখন সেলিব্রিটি হওয়ার জন্য কোনো সুযোগ লাগে না। কোনো পরিচালক বা প্রোডিউসারের সাহায্যের দরকার পড়বে না। আপনার শুধু দরকার হবে ট্যালেন্ট বা যোগ্যতা। কারণ এখন স্মার্টফোনের সহজলভ্যতায় ক্যামেরা সকলের কাছে আছে। আপনি শুধু ভিডিও করবেন ও যেকোনো সোস্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে দিবেন।

সোস্যাল মিডিয় সেলিব্রিটিদের কিন্তু আরো অনেক নামে ডাকা হয়, যেমন:- ইউটিউবার, টিকটকার ইত্যাদি। আপনি অবশ্যই ইউটিবারদের ব্যাপারে জানতে আগ্রহী তাইতো আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়তে এসেছেন।

কিছু বাংলাদেশি জনপ্রিয় ইউটিউবার

০১. তাবিব মাহামুদ: তাবিব মাহামুদ ও রানা মৃধা র‌্যাপ গান আপলোড করেন। এই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ১.৫৫মিলিয়ন।

০২. TAWHID AFRIDI: তৌহিদ আফ্রিদি এই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৩.৯৯মিলিয়ন।

০৩. Mr. Triple R: এই চ্যানেলটিতে গেমের ভিডিও ভয়েস অভার করে আপলোড করা হয়। এদের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ২.৬১ মিলিয়ন।

এছাড়া আরো অনেক ইউটিউবার আছে যারা সফলতার সাথে ইউটিউবিং করে সেলিব্রিটি হচ্ছে। এসব চ্যালের মাসিক আয় ১০০,০০০ থেকে ১৫০,০০,০০ টাকা পর্যন্ত বা তারও বেশি হয়ে থাকে। আপনি যদি টাকা আয় করতে চান বা পাবলিক ফিগার(সেলিব্রিটি) হতে চান তাহলে ইউটিউব আপনার জন্য বেস্ট।

অনেক কিছুই জানলাম আমরা আমাদের আশেপাশের ইউটিউবার সম্পর্কে ও তাদের আয়ের ব্যপারে। এখন আমরা কিভাবে শুরু করতে পারি। কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করতে পারি তা বিস্তারিত জানবো।

ইউটিউব চ্যানেল খোলা

ইউটিউবে আয়ের প্রথম শর্ত হল একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকা। ইউটিউব চ্যানেল কিভাবে খোলে? এমন প্রশ্ন আপনার মনে থাকাটা স্বাভাবিক। ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য তেমন কিছুর দরকার নেই। আপনার শুধু দরকার একটা জিমেইল একাউন্ট।

আপনার যদি জিমেইল একাউন্ট না থাকা তবে জিমেইল ডট কমে গিয়ে একটা জিমেইV তৈরি করে নিন। আজ আমি কিভাবে জিমেইল খুলবেন তা নিয়ে আলোচনা করছি না।

আপনার জিমেইল একাউন্ট থাকলে চলে যান ইউটিউব.কম ওয়েবসাইটে। উপরে দেয়া সাইন ইন বাটনে ক্লিক করুন।

ইউটিউব ডট কম

সাইন ইন বাটনে ক্লিক করার পর আপনার জিমেইন একাউন্টটি টাইপ করতে হবে। তারপর next বাটনে ক্লিক করুন।

ই-মেইল এড্রেস টাইপ করুন

next বাটন ক্লিক করর পর নিচের ছবির মতো একটি উইন্ডো খুলে যাবে। যেখানে জিমেইল আইডির সঠিক পাসওয়ার্ড টাইপ করতে হবে।

সঠিক পাসওয়ার্ড টাইপ কর

এবার Next বাটনে ক্লিক করুন। যদি পাসওয়ার্ডটি সঠিক হয় তবে নিচের মতো একটি পেজে নিয়ে যাবে। সেখান থেকে

মার্ক করা জায়গায় ক্লিক করুন

উপরের ছবিটির মার্ক করা স্থানে ক্লিক করলে নিচের মতো একটি মেনু আসবে । সেখানে Create a Channel এ ক্লিক করুন।

Create a Channel ক্লিক করুন

আপনার যদি এই একাউন্টে আগে চ্যানেল থাকে তাহলে এই লেখাটি পাবেন না। Create a Channel এর জায়গায় Your Channel লেখাটি দেখতে পাবেন।

চিন্তার কোনো বিষয় নেই আপনার আগের খোলা চ্যানেলে কাজ করুন। আপনার কাজ আরো সহজ হয়ে গেল। কোনো কারণে যদি আগের চ্যানেলে কাজ করতে না চান তবে, নতুন করে একটি জি-মেইল ক্রিয়েট করে নিয়ে শুরু করতে পারেন। তবে আমি নতুন একাউন্ট দিয়ে চ্যানেল খোলার কোনা উপকারিতা দেখি না।

Create a Channel এ ক্লিক করা পর নিচের মতো করে একটি ব্যানার আসবে।

Get Started

মার্ক করা – Get Started বাটনে ক্লিক করে আপনার চ্যানেল খোলার কাজ শুরু করতে পারেন। এই বাটনে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো একটি ব্যানার আসবে।

SELECT NAME & LOGO

উপরের ছবির মতো আসলে Select বাটনে চাপ দেয়ার আগে কিছু কথা। আপনার জিমেইল যে নামে করা আপনার চ্যানেলের নাম সেই নামে রাখতে ১নং বাটনে ক্লিক করুন। আপনার জিমেইলে দেয়া ছবি ইউটিউবের চ্যানেল লোগো হয়ে যাবে।

যদি কাস্টম কোনো নাম ও ছবি দিতে চান তবে ২নং বাটনে ক্লিক করুন। আমি সবসময় ২নং আপশনটা রিকমেন্ড করি।

আপনি যদি ১নং বাটন ক্লিক করেন তবে সবকিছু অটোমেটিক হয়ে যাবে। আপনাকে কোনোকিছু সিলেক্ট বা লেখার দরকার পড়বে না। ২নং বাটন ক্লিক করলে আপনার সামনে নিচের মতো একটা ব্যানার আসবে।

Channel Name ফর্ম-এ আপনার পছন্দমতো চ্যানেলের নামটি বসান। নামটা বসানোর পর মার্ক করা অংশে ক্লিক করে চেক করুন। সতর্কতা:- চ্যানেলের নামের নিচে মার্ক করা স্থানে টিক না দিলে Create বাটন ক্লিক করা যাবে না।

Create বাটনে ক্লিক করলে ও সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নিচের ছবির মতো আসবে।

সেটআপ লেটার

আপনি এখানে লোগোসহ অনেক কাস্টমাইজেশনের আপশন পাবেন। সেখান থেকে কাস্টমাইজেশন করতে পারেন আবার স্ক্রল করে নিচে SET UP LATER বাটন পাবেন। আমরা আমাদের চ্যানেল প্রফেশনালি সাজানোর সুবিধার জন্য সেট আপ লেটার করলাম।

আপনি চাইলে এখান থেকে কাস্টমাইজেশন করতে পারেন আবার পরে আপনার সুবিধামতো চ্যানেলের ভিতর থেকে কাস্টমাইজেশন করতে পারেন। আমি রিকমেন্ড করব ইউটিউব চ্যানেলের ভিতর থেকে কাস্টমাইজেশন। এবার আপনি ভিডিও আপলোড করতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল কাস্টমাইজেশন

”আগে দর্শনদারি পরে গুণবিচারি।” এই উক্তিটির সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত। একটা ইউটিউব চ্যানেলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে চ্যানেল কাস্টমাইজেশন অনেক জরুরী একটা জিনিস।

চ্যানেলের কাস্টমাইজেশন করার জন্য ইউটিউব আপনাকে অনেক অপশন দেয়, যেমন- লোগো, কভার ফটো, লিংক ও ডিসক্রিপশন আপশন দিয়ে থাকে। আপনি চিন্তা করে দেখুন লোগো ছাড়া আপনার চ্যানেল কেমন লাগবে। নিশ্চয় আপনার চ্যানেল দেখতে সুন্দর দেখাবে না।

আমরা আমাদের চ্যানেলকে কাস্টমাইজেশন করে নিচের ছবির মতো বানাবো।

চলুন শুরু করা যাক। প্রথমে চ্যানেলকে কাস্টমাইজ করার জন্য আমাদের চ্যানেলে লগিন করতে হবে। নিচের ছবিতে মার্ক করা ১নং বাটন বা লোগো বাটনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করলে একটা প্যানেল খুলে যাবে সেখানে Youtube Studio লেখা অপশন সিলেক্ট করতে হবে।

লোগো বাটন ক্লিক

Youtube Studio অপশন সিলেক্ট করার পর নিচের ছবির মতো উইন্ডো ওপেন হবে সেখান থেকে Customization অপশন সিলেক্ট করতে হবে।

youtube customization option

আপনার চ্যানেলের যত কাস্টমাইজেশন রিলেটেড কাজ আছে সবকিছু এখান থেকে করা যাবে। Customization অপশন সিলেক্ট করার পর নিচের ছবির মতো একটা পেজ আসবে। সেখান থেকে আপনার চ্যানেলের সবকিছু কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

basic layout

আমরা আমাদের চ্যানেলের কাস্টমাইজেশন Basic Info আপশন থেকে শুরু করব। তবে আপনি যেকোনো সেকশন দিয়ে শুরু করতে পারেন। বেসিক ইনফো আপশন থেকে আপনার চ্যানেলের নাম, ডিসক্রিপশন, চ্যানেল লিংক, সোস্যাল লিংক ও কন্টাক্ট মেইল দেয়া যায়। তো চলুন ধাপে ধাপে দেখে নিই কিভাবে অপশনগুলো সঠিকভাবে দেয়া যায়।

Click Pen Option

My Channel এর পেন আইকোনে ক্লিক করলে চ্যানেলের নাম ও ডিসক্রিপশন দেয়া যাবে। আপনার যদি কোনো সময় চ্যানেলের নাম পরিবর্তন করার দরকার হয় তবে এখান থেকে সহজে করতে পারবেন।

ভাষা সিলেকশন অপশন।

আপনার ডেসক্রিপশনের ভাষা সিলেক্ট করা অনেক জরুরী ও ট্রিকি একটা বিষয়। আপনার চ্যানেলের সকল কন্টেন্ট যদি বাংলায় হয় বা কন্টেন্টগুলোর দর্শক যদি বাংলা হয় তবে বাংলা সিলেক্ট করুন। আবার আপনার চ্যালেনের লোক যদি অন্য ভাষাভাষি হয় তবে ভাষা সিলেক্ট করে দিন।

ধরুন আপনার কন্টেন্ট সব বাংলায়। আপনি ডিসক্রিপশনের ভাষা যদি চাইনা সিলেক্ট করেন তবে চ্যানেলের কন্টেন্টগুলো চাইনার লোকদের কাছে দেখানো হবে। এতে আপনার দর্শক কমে যাবে। কন্টেন্ট টার্গেটেড দর্শকের কাছে পৌছাতে অনেক বড় ভুমিকা পালন করে ল্যাঙ্গুয়েজ অপশন।

Add Language অপশনে ক্লিক করলে নিচের মতো আসবে সেখান থেকে ভাষা দিয়ে দিন। আপনি চাইলে দুটি ভাষা দিতে পারেন।

Language selection(original and translation)

আপনার চ্যানেলের অরজিনাল ভাষার পাশাপাশি ট্রান্সলেশনের জন্য একটি ভাষা দিন। এতে আপনার চ্যানেল আকর্ষনীয় হবে। কাজ শেষ হলে ডান করে দিন।

নিচে স্ক্রিনশর্ট দেয়া, প্রথমে দেখুন Channel Url অপশন আছে এখান থেকে আপনি আপনার চ্যানেলের জন্য কাস্টম লিংক অর্থাৎ আপনার মনের মতো লিংক নিতে পারেন। তবে প্রথম অবস্থায় পারবেন না। ১০০ সাবস্ক্রাইবার হওয়ার পর এই লিংক পরিবর্তন করতে পারবেন।

Channl URL, Social Links, Link on banner

নিচে স্ক্রিনশর্ট দেয়া, Channel Url এর নিচে দেখুন Link লেখা আপশন আছে। এখান থেকে আপনার চ্যানেলে লিংক দিতে পারবেন। এখানে আপনার ফেসবুক পেজ, ফেসবুক গ্রুপ ও ওয়েবসাইটের লিংক দিতে পারেন। যা ব্যানারের পরে দেখাবে। তবে মনে রাখবেন আপনার চ্যানেলে সর্বোচ্চ ৫টি লিংক দিতে বা দেখাতে পারবেন।

Link On Banner লেখা জায়গা থেকে আপনি সিলেক্ট করে দিতে পারেন আপনার ব্যানারে কতটি লিংক দেখাবে।

এবার একটু নিচে দেখতে পারবেন কন্টাক্ট ইমেইল দেয়ার অপশন আছে। এখানে আপনি আপনার ইমেইলটি দিয়ে দিন। অনেকে ইমেইল দিতে চাই না, তাই ইমেইল দেয়ার উপকারীতা বলছি। ইমেইল দিলে আপনার সাথে যেকেউ সহজে যোগাযোগ করতে পারবে। অনেক সময় কেউ আপনার চ্যানেলে স্পন্সার দিতে চাইলে সহজে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারবে।

Contact E-mail & Publish

সকল এডিটের কাজ করার পব Publish বাটনে ক্লিক করুন, না হলে কোনোকিছু সেভ হবে না।

আপনার চ্যালের লোগো ও ব্যানার দিতে হবে, Branding আপশন থেকে দিতে পারবেন।

Upload Logo & Banner image

লোগো শুধু লোগো নয় আপনার চ্যানেলের পরিচয় বহন করে। একটি চ্যানেলের লোগো ৯৮/৯৮ পিক্সেল হলে ভালো হয়। আপনার চ্যানেলের জন্য সুন্দর দেখে একটা লোগো তৈরি করুন। আপনি যদি ইডিটিং না পারেন চিন্তর কারন নেই। অনলাইনে অনেক সাইট আছে যেখান থেকে লোগো জেনারেট করতে পারেন। আবার কোনো বন্ধুর কাছ থেকে বানিয়েও নিতে পারেন।

ব্যানার বা কভার ফটো, ইউটিউবের জন্য এটা অনেক জরুরী একটা বিষয়। আপনার সাইটের ভিজিটর যখন আপনার চ্যানেল ভিজিট করে তখন এটা দেখতে পাই। এটা তৈরি করতে কিছু ট্রিকস অবলম্বন করতে হয়। Banner Image এর আপলোড বাটন থেকে খুব সহজেই আপনার ব্যানার আপলোড করতে পারবেন।

Channel Watermark

Video Watermark এটা হল আপনার ভিডিও চলাকালীন ডানপাশের নিচে দেখা যায়। এটা আপনাকে PNG, SVG ফরমেটে দিতে হবে। কারণ এগুলের ব্যাকগ্রাউন্ড ট্রান্সপেরেনট হয়। আপনার ওয়াটারমার্কের ডিসপ্লে টাইম মানে ভিডিওর কোন অংশথেকে ওয়াটারমার্ক দেখাবেন তা Display time থেকে সিলেক্ট করতে পারবে। নিচে আলোচনা করা হল:

End of video: Watermark যদি ভিডিওর শেষে দেখাতে চান তবে এখানে সিলেক্ট করতে হবে।

Custom start time: ওয়াটামার্কটি যদি ভিডিও শুরু হওয়ার কিছুক্ষন পরে মানে ৩০সেকেন্ড বা ১ মিনিট পরে শো করাতে চান তবে এখান থেকে সময় দিয়ে দিতে পারবেন।

Entire video: পুরো ভিডিওজুড়ে ওয়াটারমার্কটি দেখাতে চাইলে এটা সিলেক্ট করুন। আমি আপনাদের এই অপশনটা বেশি বেশি রিকমেন্ড করি।

এই সেকশনের কাজ শেষ হলে Publish বাটনে ক্লিক করুন।

এবার কাজ আসে Layout অপশনের। লেআউট অপশন থেকে চ্যানেলের ট্রেইলার ভিডিও ও কোন প্লেলিস্ট কোথায় দেখাবেন তা সিলেক্ট করে দিতে পারেন।

Layout options

১নং চিহ্নিত অপশন থেকে, যারা আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করেনি তাদের জন্য এখান থেকে ট্রেইলার সেটআপ করতে পারবেন। Add বাটনে ক্লিক করে সিলেক্ট করে দিন চ্যানেলের কোন ভিডিও এখানে দেখাবেন।

২নং চিহ্নিত অপশন কি হবে নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন; হ্যা, আপনার চ্যানেলে যারা সাবস্ক্রাইবার আছে তাদের জন্য এখান থেকে ভিডিও সিলেক্ট করে দিতে পারবেন।

আপনি কোনো চ্যানেল ভিজিট কিরলে নিচের মতো কিছু সেকশন দেখতে পান।

Playlist & Section

এই সেকশনগুলো আপনার চ্যানেলকে অনেক আকর্ষনীয় করে তোলে। দেখি আমরা কোথা থেকে এগুলো সেট করতে পারি।

Featured Sections

Featured Section এখান থেকে চ্যানেলের কোন প্লেলিস্ট কোথায় দেখাবেন তা সিলেক্ট করে দিতে পারেন।

আপনি শুধুমাত্র ADD SECTION বাটনে ক্লিক করে কোন প্লেলিস্ট দেখাবেন তা এখান থেকে দিতে পারেন।

আজ এখানেই শেষ। আসলে একটা চ্যানেলের কন্টেন্ট কেমন সুন্দর হবে তা চ্যানেলের কাস্টমাইজেশন দেখলে সহজেই ধারণা করা যায়।

এটা একটা আর্টের মতো কাউকে বলে বুঝানো সম্ভব নয়। আমি শুরুমাত্র অপশনগুলো দেখিয়ে দিয়েছি।

আপনি আপনার মনের মতো করে আপনার চ্যানেলটা সাজাতে পারবেন আমি এটুকু আশা করি। কোনো অপশন বুঝতে না পারলে ভিডিওটা আবার দেখুন।

এখনও সমস্যার সমাধান না হলে আমাকে কমেন্টকরে জানাতে পারেন কোথায় আপনার সমস্যা। আমি সমাধান করার চেষ্টা করব।

প্রযুক্তির প্রতি চরম আকর্ষণ থেকেই টেলিকমিউনিকেশনে পড়ছি। প্রযুক্তির কঠিন বিষয়গুলি সহজভাবে মানুষকে বলতে খুবই ভাল্লাগে। এই ভালোলাগা থেকেই লেখালিখি শুরু। ওয়েব ডেভলপমেন্ট ও নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা আমার নেশা ও পেশা।

মন্তব্য করুনঃ-