গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় [100% Approval Guaranteed]

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় গুলো হচ্ছে: কোয়ালিটি কন্টেন্ট, important pages, clean website ইত্যাদি। Sexual, Shocking content রাখা যাবে না

396 VIEWS

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় কি? যারা গুগলে বার বার রিকোয়েস্ট করার পরও এপ্রুভাল পাচ্ছেন না তাদের জন্য আর্টিকেলটি।

যারা Google adsense এর আবেদন করতে যাচ্ছেন, তারাও পড়তে পারেন; ঝামেলাবিহীন গুগল এডসেন্সের এপ্রুভাল পেতে।

গুগল এডসেন্স কি?

Google adsense হল এড নেটওয়ার্ক। বিভিন্ন ব্লগার ও ইউটিউবার গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে টাকা আয় করে থাকে।

গুগল বর্তমানে গুগল কন্টেন্ট এডের আয়ের ৬৮% কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের দেয় এবং সার্চ এডের ৫১ দিয়ে থাকে।

ব্লগ থেকে আয় করার সবচেয়ে লাভজনক মাধ্যম গুগল এডসেন্স। এটা যেমন ঝামেলাবিহীন তেমনি বিশ্বাসযোগ্য।

গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে টাকা আয় করা সহজ হলেও আপনার সাইটে গুগলের এপ্রুভাল পাওয়া সহজ নয়।

গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য আপনাকে গুগলের নিয়ম মেনে সাইটে কাজ করতে হবে; তবেই গুগল আপনাকে এড দেখানোর জন্য অনুমোদন দিবে।

গুগলের এডসেন্স পাওয়া কঠিন হলেও খুব সহজে কিছু টিপস অনুসরণ করে; সহজে এপ্রুভাল পেতে পারেন।

তো চলুন জেনে নেই, Google adsense এপ্রুভাল পেতে কি কি করতে হবে?

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় : আবেদনের আগে

ব্লগে গুগল এডসেন্স পেতে হলে গুগল এডসেন্সে একাউন্ট করে আবেদন করতে হয়।

Google adsense এ আবেদন করার আগে ওয়েবসাইটের কিছু কাজ করতে হবে। যেগুলো করলে গুগল সহজে তাদের এডসেন্স প্রগ্রামে আপনাকে এপ্রুভ করবে।

১. টপ লেভেল ডোমেইন ব্যবহার

অনেকে ব্লগারের ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং ব্যবহার করে ব্লগিং করে। আপনি চাইলে ব্লগারে কাস্টম / টপ লেভেল ডোমেইন add করতে পারেন।

গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল যে ফ্রি ডোমেইনে পাওয়া যায় না; তা নয়। ফ্রি/ সাব ডোমেইনে-ও google adsense ‍এপ্রুভাল দিয়ে থাকে।

তবে দ্রুত গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল পেতে টপ লেভেল / কাস্টম (.com, .org, .xyz, net ইত্যাদি) ডোমেইন ব্যবহার করতে পারেন।

=> কিভাবে ফ্রি ওয়েবাসাইট তৈরি করবেন দেখে নিন।

২. রেসপনসিভ ডিজাইন

রেসপনসিভ ডিজাইন বলতে বুঝায় সেসব ওয়েবসাইট, মোবাইল ও কম্পিউটার দুটোতেই ব্যবহার করা যায়।

কোনো ওয়েবসাইটকে মনিটাইজ করার আগে, সেই ওয়েবসাইটটি অবশ্যই রেসপন্সিভ হতে হবে। শুধু এডসেন্সের জন্যই নয়, বরং এসইও অপটিমাইজেশন করার ক্ষেএেও ওয়েবসাইটের রেসপন্সিভ ডিজাইন খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ৷

তাই যদি আপনি এডসেন্সকে ফোকাস করে ওয়েবসাইট তৈরি করেন৷ তাহলে চেস্টা করবেন সেই ওয়েবসাইটটি যেন Visitor Friendly হয়। অর্থ্যাৎ কোনো ভিজিটর যখন আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে।

সে যেন আপনার ওয়েবসাইটের ইন্টারফেসের সাথে সহজেই মানিয়ে নিতে পারে। সবসময় চিন্তা করবেন, আপনার ওয়েবসাইটের ডিজাইন যেন সিম্পলের মধ্যে গর্জিয়াস হয়।

আপনার ওয়েবসাইটের কোথায় Click করলে কোন অপশনে যাওয়া যাবে। তা যেন ভিজিটররা সহজেই বুঝতে পারে। যেহুতু রেসপন্সিভ ডিজাইন নিয়ে আলোচনা করছি।

সেহুতু আপনাকে আরও একটা বিষয় জানিয়ে রাখা উচিত। এডসেন্স পাওয়ার জন্য, আপনার ওয়েবসাইটটি অবশ্যই Ads Friendly হতে হবে। অর্থ্যাৎ, আপনার ওয়েবসাইটে গুগলের বিজ্ঞাপন দেখানোর মতো Space থাকতে হবে। 

৩. Important পেজগুলো যোগ করা

ব্লগ বা ওয়েবসাইটে adsense দ্বারা approve পাওয়ার জন্য কিছু জরুরি পেজ (Privacy policy, Contact Us, Disclaimer, About Us) অবশই থাকতে হবে।

Privacy policy, Contact Us, Disclaimer, About Us, terms and conditions পেজগুলো না থাকলে গুগলের এডসেন্স এপ্রুভাল পাবেন না।

আপনি যদি এই পেজগুলো ইংরেজিতে তৈরি করতে পারেন; google adsense পাওয়া আপনার জন্য অনেকটাই সহজ হবে।

৪. গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়: Fast and clean website

অবশই মনে রাখবেন, আপনার বানানো ব্লগ যাতে অনেক ফাস্ট এবং পরিষ্কার থাকে। মানে, ব্লগের loading speed ভালো হতে হবে এবং তার সাথে সাথেই ব্লগ দেখতে যাতে অনেক পরিষ্কার (clean) আর স্পষ্ট থাকে।

আপনার পেজের লোডিং স্পিড ২-৫ সেকেন্ড হলেই হবে। আর ওয়েবসাইটে যে কেউ ঢুকে যেন বুঝতে পারে, কোথায় কোন কন্টেন্ট ও মেনু আছে।

একটি ভালো এবং পরিষ্কার থিম ব্লগে ব্যবহার করবেন।

৫. কিছু কোয়ালিটি কন্টেন্ট

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় হিসেবে কোয়ালিটি কন্টেন্টের গুরুত্ব অনেক। কন্টেন্ট হল একটি ওয়েবসাইটের প্রাণ সরূপ।

কোয়ালিটি কন্টেন্ট বলতে বুঝনো হয়ে থাকে সঠিক তথ্যযুক্ত ও সাজানো কন্টেন্ট।

যদিও ওয়েবসাইটে কতটি কোয়ালিটি কন্টেন্ট থাকলে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ করে; সেখানে দ্বন্দ আছে। কেউ বলে ২০ কেউ বলে ৩০টি।

হ্যা, আমার ওয়েবসাইটে ২২টি কন্টেন্ট লিখেই এডসেন্স এপ্রুভাল পেয়েছিলাম।

আমি বলব কমপক্ষে ৩০ টি কন্টেন্ট লিখে এডসেন্সের জন্য আবেদন করুন।

৬. copyright images ব্যবহার না করা

কখনও আপনার আর্টিকেলে, গুগলে সরাসরি সার্চ দেয়া ছবি ব্যবহার করবেন না। কারো ওয়েবসাইটের কোনো ছবি সরাসরি আপনার সাইটে দিবেন না।

গুগল কপিরাইট আইনের বিষয়ে খুবই সংবেদনশীল। আপনার কন্টেন্টের ছবিতে কোনোরকম কপিরাইট পেলে এডসেন্স পাওয়ার আশা বাদ।

বিভিন্ন ইমেজ স্টক সাইট আছে, যারা কপিরাইট ফ্রি ইমেজ দিয়ে থাকে; সেখান থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করুন। সেরকম কিছু সাইট হল:- Pexels, unsplash, freepik ইত্যাদি।

এসব সাইট থেকে ছবি ডাউনলোড করল ওয়েবসাইটে ব্যবহার করলে কোনো কপিরাইট ইস্যু হয় না। তাই এইগুলো ব্যবহার করুন।

=> ব্লগের ছবি এসইও ফ্রেন্ডলি করুন।

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় হিসেবে উপরের ৬টি পয়েন্ট চিহ্নিত করেছি। যেগুলো পালন করার মধ্যমে সহজে গুগল এডসেন্স পাওয়া যাবে।

উপরের ৬টি কাজ আপনাকে অবশ্যই এডসেন্সে আবেদন করার আগে করতে হবে। মানে এইগুলো করেই তারপর এডসেন্সের জন্য আবেদন করবেন।

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় : Google এর কিছু নিয়ম

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় সম্পর্কে গুগল কিছু নিয়ম দিয়েছে। যেগুলো না মানলে এডসেন্স পাবেন না।

Google Publisher Restrictions পেজে গুগল সরাসরি বলে দিয়েছে, কোন কোন কন্টেন্টে তারা এডসেন্স দিবে না। আপনাদের সুবিধার জন্য শর্টে বিষয়গুলো আলোচনা করব।

১. Sexual content

আপনার ওয়েবসাইটে কোনোপ্রকার Sexual content থাকলে এডসেন্স এপ্রুভাল পাবেন না। Sexual content বলতে বুঝানো হয়েছে পর্ণগ্রাফি, নুডি পিকচার, চটি ইত্যাদি।

একমাত্র চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত আর্টিকেল বাদে কোনোপ্রকার Sexual content ব্যবহার করতে পারবেন না।

২. Shocking content

এমন কোনো আর্টিকেল বা কন্টেন্ট লিখা যাবে না, যেটি দেখে মানুষ ঘাবড়ে যায়।

যেমন: রক্ত, এক্সিডেন্টের ছবি, ডার্টি পিকচার, প্রাণীর খুব খারাপভাবে জখম করার ছবি ইত্যাদি।

৩. Explosives

বোমা, বারুদ, পিস্তল, গ্রেনেড সহ যত রকমের অস্ত্র আছে, এগুলো বানানো বা এসব বিষয়ে মটিভেশন করা যাবে না।

এসব প্রডাক্ট কোথায় পাওয়া যায়, কিভাবে কিনতে হয়, কিভাবে তৈরি করা যায় এই ধরণের কন্টেন্ট গুগল এডসেন্স পাবে না।

৪. তামাক, এলকোহল

তামাক বা এলকোহলের প্রচার হয় এরকম কন্টেন্ট দেয়া যাবে না।

কিংবা কিভাবে তামাকের ব্যবসা করা যায়, কিভাবে বিড়ি, সিগারেট বানানো যায় এই সম্পর্কিত কন্টেন্ট দেয়া যাবে না।

৫. অনলাইন বেটিং

অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের বেটিং বা জুয়ার ওয়েবসাইট আছে। এসব ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল দিবে না।

আপনি যদি কোনো বেটিং বা ‍জুয়ার সাইটের প্রচার করেন, তাহলে আপনার সাইটে এডসেন্স পাবেন না।

৬. ড্রাগ বা ঔষধ

কোনো ঔষধের প্রমোশন করে এমন ওয়েবসাইট এডসেন্স পাবে না।

যেমন: হোমিওপ্যাথি, এলাপ্যাথি, হারবাল ইত্যাদি।

তবে বিভিন্ন রোগের আলোচনা করার সময়, কিছু ঔষধ রিকমেন্ড করা যাবে।

এডসেন্স পেতে হলে উপরের ৬টি শর্ত আপনাকে মানতেই হবে। কারণ এই ৬টি কন্টেন্টে গুগল এডসেন্স দিবে না; যেটা তাদের পেজে পরিষ্কার লেখা আছে।

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় : Adsense Apply করার পর করবেন

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় হিসেবে এগুলো তেমন জরুরী নয়। তবে করলে ভালো হয়; আপনি চাইলে নিচের কাজগুলো করতেও পারেন, নাও পারেন।

১. গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়: নিয়মিত কন্টেন্ট লেখা

এডসেন্সে আবেদনের পর নিয়মিত কন্টেন্ট লিখুন। নিয়মিত বলতে কিন্তু প্রতিদিন কন্টেন্ট লেখা নয়।

আপনি যদি সপ্তাহে রবিবার ও বুধবার ২টি করে পোস্ট আপলোড করেন; তবে সেটা নিয়মিত করতে হবে। অর্থৎ প্রতি রবিবারে ও বুধবারে কন্টেন্ট লেখা।

তবে প্রতিদিন একটি করে কন্টেন্ট লিখলে ভালো হয়।

২. সার্চ কনসোল ও গুগল এনালিটিক্স যোগ করুন

আপনি যদি সার্চ কনসোলে আপনার ব্লগটি সাবমিট না করেন, তাহলে এখুনি করেন।

গুগল তখনই আপনার সাইট ভালোভাবে র‌্যাংক করাবে, যখন আপনি সার্চ কনসোলে সাইটম্যাপ যোগ করবেন।

গুগলের এনালিটিক্স-ও যোগ করুন; যাতে গুগল ভালোভাবে আপনার সাইট ট্রাক করতে পারে।

আমি যখন আমার প্রথম ব্লগে এডসেন্সে এপ্লাই করি, তখন গুগল এনালিটিক্স এড না করেই করেছিলাম। এতে প্রায় ৩ বার রিজেক্ট করে গুগল আমাকে।

গুগলের সমস্যা হল তারা সরাসরি আপনাকে এনালিটিক্স যোগ করতে বলবে না! কেন রিজেক্ট করলো সেখানেও বলে না। কিন্তু আমার এক্সপেরিয়েন্স থেকে দেখেছি গুগল এনালিটিক্স দেয়া থাকলে ৩গুণ গতিতে এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়া যায়।

৩. গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় : এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট

সবসময় চেষ্টা করবেন এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট লিখতে। আপনার সাইটে অর্গানিক মানে গুগল থেকে সার্চ করে ভিজিটর আসলে; গুগল দ্রুত এডসেন্স এপ্রুভাল দিয়ে থাকে।

লিংকে ক্লিক করে এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট লেখা শিখুন।

এডসেন্স এপ্রুভ না হওয়ার কারণ

ছোট্ট কিছু বিষয় আছে যেগুলোর কারণে আপনি এডসেন্স এপ্রুভাল পাচ্ছেন না। এগুলো তেমন কোনো সমস্যা না; তবে এই ছোট ছোট সমস্যার সমাধান খুব সহজে করা যায়।

১. ব্লগের বয়স কম হওয়া

আপনার ব্লগের বয়স বেশি ৬মাসের বেশি হলে এডসেন্স পাওয়ার সহজ হয়ে যায়। আমি বলছি না, আপনার ব্লগের বয়স ৬মাস হতে হবে।

কারণ ব্লগের বয়স ৬মাস হতে হবে এমন কোনো রুল নেই। আমি আমার এই সাইটের বয়স ৩মাস হলে আবেদন করেছিলাম। এবং ৫দিন পরে তারা এপ্রুভ করেছিল।

২. আর্টিকেল স্বল্পতা

আপনার ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত পরিমান কন্টেন্ট না থাকার কারণে এডসেন্স এপ্রুভ নাও হতে পারে।

যদি সাইটে কন্টেন্টের পরিমাণ কম ও কোয়ালিটি কন্টেন্ট না থাকে, তবে এডসেন্স এপ্রুভ হওয়া কষ্টকর।

৩. গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়: ওয়েবসাইটের ডিজাইন

সবসময় ওয়েবসাইটের ডিজাইন simple রাখার চেষ্টা করতে হবে।

বেশি জটিল ডিজাইন ইউজার এক্সপেরিয়েন্স খারাপের জন্য দায়ী। গুগল ইউজার এক্সপেরিয়েন্সের দিকে অনেক নজর দেয়। তাই ওয়েবসাইটের ডিজাইন যতটা পারা যায় সাদাসিদা রাখুন।

৪. এডসেন্সের কোড বসানো

এডসেন্সের কোড ওয়েবসাইটের সঠিক জায়গায় না বসানোর ফলে এপ্রুভাল পাবেন না।

সবসময় এডসেন্সের কোডটি ব্লগের হেডারে বসানোর চেষ্টা করুন।

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় : Conclusions

Google Adsense পাওয়া তেমন কঠিন কিছু না; যদি আমরা সঠিকভাবে এপ্লাই করি। এডসেন্সের এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য যে বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ:

আপনার সাইটের কন্টেন্ট গুগলের এডসেন্স পলিসির ভিতরে থেকে তৈরি করতে হবে। যেমন: Sexual content, Shocking content, তামাকদ্রব্য প্রচার এসব কন্টেন্ট দেয়া যাবে না।

আবশ্যই উপরে উল্লেখ করা Privacy policy, Contact Us, Disclaimer, About Us, terms and conditions পেজগুলো থাকতে হবে। এবং এগুলো ইংলিশে লিখলে ভালো। অধিকাংশ মানুষ এই পেজগুলো সঠিকভাবে তৈরি না করার কারণে এপ্রুভাল পেতে দেরি হয়।

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায় হিসেবে আরেকটি বিষয় খুবই জরুরী; সেটা হল কোয়ালিটি কন্টেন্টের অভাব। কপিরাইট ফ্রি, ইউনিক কোয়ালিটি কন্টেন্ট দিতে পারলে গুগল এডসেন্স পাওয়া ডালভাত।

এডসেন্স বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন ফেসবুক পেজ বা কমেন্টে করতে পারেন।

প্রযুক্তির প্রতি চরম আকর্ষণ থেকেই টেলিকমিউনিকেশনে পড়ছি। প্রযুক্তির কঠিন বিষয়গুলি সহজভাবে মানুষকে বলতে খুবই ভাল্লাগে। এই ভালোলাগা থেকেই লেখালিখি শুরু। ওয়েব ডেভলপমেন্ট ও নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা আমার নেশা ও পেশা।

মন্তব্য করুনঃ-