ডিজিটাল মার্কেটিং কি? কেন ডিজিটাল মার্কেটিং করব

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং হল ডিজিটাল প্লাটফরম ব্যবহার করে মার্কেটিং করা। ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কিত সকল তথ্য…।

346 VIEWS

ডিজিটাল মার্কেটিং কি

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? সেটা জানতে হলে, প্রথমে জানা দরকার মার্কেটিং কি?

কথা না বাড়িয়ে শুরু করি।

মার্কেটিং কি

মার্কেটিং বলতে মূলত কোনো পণ্যের প্রোমশন করা বা মানুষের কাছে পণ্যটির প্রচার করা।

আরো সহজে বলতে হয়, মার্কেটিং হলো, কোনো পণ্য কেনার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করা।

সেক্ষেত্রে পণ্যের ভালো গুণগুলো মানুষের সামনে ‍তুলে ধরা হয়; এবং পণ্যটি কিনে মানুষ কিভাবে উপকৃত হবে সেটাই বোঝানো হয়।

মার্কেটিং অনেকভাবে করা যায় এবং মার্কেটিংয়ের মধ্যে দুটি সবচেয়ে বড় প্রকার ভেদ আছে। ১. ট্রেডিশনাল বা ক্লাসিক মার্কেটিং ২. ডিজিটাল মার্কেটিং।

ক্লাসিক মার্কেটিং ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ভিতর তেমন কোনো পাথক্য নাই। যেহেতু মার্কেটিংয়ের ভিতর পার্থক্য বোঝানোর জন্য আর্টিকেলটা না। তাই এই বিষয়টা বাদ দিয়ে আমরা দেখব;

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? এবং কেন ডিজিটাল মার্কেটিং করা দরকার? জানবো ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের প্রকারভেদ ও ভবিষ্যত।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি

আগেই বলেছি, মার্কেটিং হল কোনো পণ্য সম্পর্কে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা। অর্থাৎ পণ্যটি কেন কিনবেন এবং কিনলে কি উপকার হবে তা বোঝানো।

কথা হল, আপনি মানুষকে যে আপনার পণ্যটি সম্পর্কে বলবেন; সেই মানুষগুলো পাবেন কোথায়?

এখানেই আসে ডিজিটাল প্লাটফর্মের কথা; যেহেতু ডিজিটাল প্লাটফর্ম যেমন: সোস্যাল মিডিয়া, সার্চ ইঞ্জিন ইত্যাদি মাধ্যমগুলোয় মানুষ প্রতিনিয়ত ভিজিট করে। তাই এই প্লাটফর্মগুলো ব্যবহার করে মার্কেটিং করতে পারবেন।

এই প্লাটফর্মগুলো ব্যবহার করে যখন আপনি কোনো পণ্যের মার্কেটিং করবেন; তখন সেটা চলে যাবে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ভিতর।

ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে বোঝায় ইন্টারনেট বা ডিজিটাল মাধ্যম যেমন: বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া, ফেসবুক, ইউটিউব, সার্চইঞ্জিন ইত্যাদি ব্যবহার করে কোনো পণ্যের মার্কেটিং করা।

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন গুরুত্বপূর্ণ

ইন্টারনেটের ব্যবহার সর্বত্র বেড়েছে; আমাদের কাজের জায়গা থেকে বাড়ি। কাজের ক্ষেত্র থেকে বিনোদন সবখানেই ইন্টারনেট জড়িত।

পৃথিবীর প্রায় ৫.১ বিলিয়ম মানুষ মোবাইল ব্যবহার করে। তাদের অধেকেরও বেশি ইন্টারনেট ইউজার।

বর্তমান সময়ে সোস্যাল মিডিয়ার জয়জয়কার অবস্থা। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ভিতর ৯৯% মানুষ সোস্যাল মিডিয়া সহ ইন্টারনেটের বিভিন্ন প্লাটফরম ব্যবহার করে।

আপনি যদি ইন্টারনেটের মাধ্যমে মার্কেটিং করেন অর্থাৎ ডিজিটাল মার্কেটিং করেন তবে এই ২.৫ বিলিয়ম মানুষকে সহজে তার্গেট করতে পারেন।

ট্রেডিশনাল মার্কেটিংয়ে অডিয়েন্স টার্গেট করা যায় না। কারণ একটি টিভি বা বিলবোড একশ্রেণীর মানুষ নয়; প্রায় সকলেই দেখে থাকে। তাই আপনার মার্কেটিংয়ের খরচের তুলনায় বিক্রি অতটা হয় না।

কিন্তু আপনি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে নির্দিষ্ট বয়স ও পেশার মানুষকে টার্গেট করে মার্কেটিং করতে পারেন। এতে আপনার মার্কেটিং খরচ কমছে ও বিক্রি বাড়ছে।

এখন বুঝতেই পারছেন একজন ব্যবসায়ী হিসাবে আপনার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং কত গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী কিন্তু বসে নেই, সে কিন্তু তার ব্যবসাকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছেন। Coca-Cola, Unilever, Nestlé এর মতো বড় বড় কোম্পানীগুলোও কিন্তু বেশ তোড়জোড়ের সাথেই বর্তমানে ডিজিটাল দুনিয়াতে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে।

ফ্রিল্যান্সরদের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং

ব্যবসার প্রসার করার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব নিশ্চয় বুঝতে পারেছেন উপরের আলোচনা থেকে।

যেহেতু ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কম সময়ে ও কম খরচে ক্রেতার কাছে পৌছানো যায়। তাই সকল বিজনেসের মার্কেটিং ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে।

তাই বাজারে যারা ডিজিটাল মার্কেটিং করবে, তাদের চাহিদা বাড়ছে। আপনি একটু ফাইভার ও আপওয়ার্কে খুজে দেখুন; বুঝতে পারবেন বর্তমান বাজারে ডিজিটাল মার্কেটারের চাহিদা কতটা বেশি।

তাই এখনই সময় ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা।

একটু দাড়ান – তাড়াহুড়া করবেন না!!

ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বিস্তৃত একটি পেশা। তাই সবচেয়ে ভালো হয় যেকোনো নির্দিষ্ট টাইপের মার্কেটিংয়ে এক্সপার্ট হওয়া।

কোনো ক্লাইন্ট আপনাকে দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সকল কাজ করাবে না। একজনের পক্ষে এতগুলো স্কিল আয়াত্ব করা সম্ভব নয়।

তাহলে আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন::: শেষে বুঝে যাবেন…. ডিজিটাল মার্কেটার হতে গেলে আপনাকে কিকি শিখতে হবে।

Digital Marketing এর প্রকারভেদ

ডিজিটাল মার্কেটিং কোনো ছোট টপিক নয়। আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করে যত রকমের মার্কেটিং করবেন সবই ডিজিটাল মার্কেটিং এর আওতাভুক্ত।

তাহলে চলুন একটু ধারণা নিই, ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজগুলো সম্পর্কে:

  • কনটেন্ট মার্কেটিং (Content Marketing)
  • সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (Search Engine Optimization)
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (Social Media Marketing)
  • ই-মেইল মার্কেটিং (E-mail Marketing)
  • সিপিএ মার্কেটিং (CPA Marketing)
  • ওয়েব এনালিটিক্স (Web Analytics)

এগুলো সবই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভিতরে পড়ে। আপনাদের বোঝার সুবিধার জন্য প্রত্যেকের বিষয়ে হালকা আলোচনা করা হল।

কন্টেন্ট মার্কেটিং

Digital Marketing এর যতগুলো পদ্ধতি আছে; তার ভিতর সবচেয় কার্যকারী পদ্ধতি কন্টেন্ট মার্কেটিং।

কন্টেন্ট মার্কেটিং হল আপনি যে product বিক্রি করতে চান, সেটির সকল বিষয় নিয়ে কন্টেন্ট বানিয়ে যে মার্কেটিং করা হয়।

বুঝিয়ে বলছি:

রহিম Vivo Y1 মোবাইলটি বিক্রি করতে চাই। সে এই মোবাইলের যত সুবিধা-অসুবিধা আছে সবকিছু নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখল। এটা বিভিন্ন মানুষ পড়লো এবং অনেকের মোবাইলটা ভালো লাগল এবং কিনলো।

এইযে রহিম একটি কন্টেন্ট বনিয়ে, সেই কন্টেন্টের মাধ্যমে মোবাইলটি বিক্রি করল এটাই কন্টেন্ট মার্কেটিং।

কন্টেন্ট মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে আর্টিকেলই লিখতে হবে; এমন কোনো নিয়ম নাই। আপনি চাইলে মোবাইলটার রিভিউ ভিডিও বানাতে পারেন বা একটি ব্যানার ডিজাইন করে প্রমোশন চালাতে পারেন।

বর্তমানে ভিডিওর মাধ্যমেই বেশি কন্টেন্ট মার্কেটিং করা হচ্ছে। আর্টিকেল লিখতে হলে কিভাবে কন্টেন্ট লিখতে হয় জানতে হবে।

তাহলে আমরা বুঝলাম ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ভিতর কন্টেন্ট মার্কেটিং কি সেটা নিশ্চই বুঝে যাওয়ার কথা।

What is digital marketing bangla ( ডিজিটাল মার্কেটিং কি )

Search Engine Optimization (এসইও)

আপনি হয়তো ভাবছেন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের আবার ডিজিটাল মার্কেটিং হল কবে?

আপনার কনফিউশন দূর করতে একটু বেশি আলোচনা করছি টপিকটার উপর।

নিচের ছবিটার দিকে লক্ষ করুন, আমরা যখন কোনোকিছু লিখে সার্চ করি। কিছু রেজাল্ট সবার উপরে দেখায় যেগুলোতে Ad লেখা থাকে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি
পেইড মার্কেটিং

বিজ্ঞাপন গুলি সাধারণ ভাবেই দেয়া থাকে এবং তার আগে [Ad] বলে লেখা থাকে।

বিভিন্ন কোম্পানি বা business owners রা Google Adword দ্বারা গুগল সার্চ ইঞ্জিন বা অন্য অনলাইন সার্চ ইঞ্জিন গুলিতে এভাবে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে ব্লগ বা ওয়েবসাইটের দ্বারা নিজের product বা service এর মার্কেটিং, প্রচার বা গ্রাহক খোঁজার চেষ্টা করাকেই search engine marketing বলা হয়।

এখন চিন্তা করুন, কেন সে টাকা খরচ করে সবার প্রথমে আসছে?

কারণ সে অর্গানিক উপায়ে সার্চ রেজাল্টের প্রথমে আসতে পারে নাই। তাই টাকা দিয়ে আসার চেষ্টা করছে।

কিছু ব্যবসায়ী টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপণ না দিয়ে, কোনো এসইও এক্সপার্টকে হায়ার করে; অর্গানিক উপায়ে সবার প্রথমে আসার জন্য। অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিংকে রিপ্লেস করা হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন দ্বারা।

এজন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভিতর চলে আসছে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এক ধরণের হল Promote Based marketing. আপনি একটি কোম্পানীর পণ্য বিক্রি করে দিবেন; কোম্পানী প্রতিটি বিক্রির বিনিময়ে নির্দিষ্ট টাকা দিবে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিভিন্ন ভাবে করা যায়; আপনার ব্লগ, ইউটিউব চ্যানেল বা ইমেইলের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কমিশন ইনকাম করতে পারেন

সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

সোস্যাল  মিডিয়া মার্কেটিং
সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

আমরা অনেক সময় ফেসবুক চালানোর সময়, কিছু পোস্টে Sponsored কথাটি থাকে। এই পোস্টগুলো আপনার সামনে আনার জন্য ফেসবুককে টাকা দিতে হয়।

সোস্যাল মিডিয়া বলতে ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি সোস্যাল সাইটে যে মার্কেটিং করা হয় সেগুলো সবই সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।

অধিক দ্রুত ও টার্গেট কাস্টমারের কাছে পৌছাতে সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের জুড়ি নেই।

ই-মেইল মার্কেটিং

অনেকসময় আপনার ইমেইল বা জিমেইল চেক করলে দেখবেন, এরকম কিছু প্রমোশনাল মেইল আসে।

ইমেইল মার্কেটিং

বিভিন্ন কোম্পানী আপনার ই-মেইল কালেক্টে করে ও আপনার কাছে তাদের সার্ভিসের বিষয়ে মেইল পাঠায়। এগুলোই ই-মেইল মার্কেটিং।

ই-মেইল যেহেতু অধিকাংশ মানুষ প্রতিনিয়ত তাদের কাজের জন্য ব্যবহার করে; তাই ই-মেইলের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌছানো অনেক সহজ হয়। আপনার পণ্যটি বিক্রির সম্ভাবণা ৫০% বেড়ে যায়।

সিপিএ মার্কেটিং

সিপিএ মার্কেটিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে তেমন কোনো পার্থক্য নেই।

সামন্য একটি পার্থক্য হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ আপনি কোনো পণ্য বিক্রি করে দিতে পারলে টাকা পান।

আর সিপিএ হল ক্লিক পার একশান … মানে ভিজিটর একটি ফর্ম বা যেকোনো একটি একশানের মাধ্যমে টাকা আয় করেন।

যেমন: একটি সার্ভে হচ্ছে আপনাকে একটি লিংক দেয়া হল…. এই লিংকের মাধ্যমে যতজন এই সার্ভেতে অংশ নিবে জনপ্রতি কিছু টাকা আপনাক দেয়া হবে।

তাহলে বন্ধুরা, ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এর কিছু প্রকারভেদ সম্পর্কে জানলেন। এখন জানব,

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার উপায়

Digital Marketing শিখতে হলে প্রথমে মার্কেটিং এর ধারণা থাকতে হবে। শুনতে হাস্যকর লাগলেও এটা চরম সত্য কথা।

মার্কেটিংয়ের জ্ঞান ছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং এ ভালো করা যাবে না। ডিজিটাল প্লাটফর্মগুলো শিখবেন মানুষের কাছে মার্কেটিং কন্টেন্ট তুলে ধরার জন্য।

মার্কেটিংয়ের জ্ঞান না থাকলে কাদের তার্গেট করবেন সেটা বুঝতে পারবেন না। আপনার অডিয়েন্স কারা চিনতে হলে একটু মার্কেটিং জ্ঞান থাকতেই হবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার প্রধান ধাপ হল Digital Marketing এর কোন সেক্টরে কাজ করবেন তা সিলেক্ট করা।

আপনি হয়তো ভাবছেন সব সেক্টর নিয়ে কাজ করব; সফলতা পাওয়ার সম্ভাবণা খুবই কম। সবকিছু আপনি একা শিখতে পারবেন না। আর সেটা ভালোও দেখায় না।

তাই সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখতে চাইলে পরা সোস্যাল মিডিয়া শিখে ফেলুন। যেমন: ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, টিকটক ব্যবহার করে কিভাবে মার্কেটিং করতে হয়। কোনটার মার্কেটিং করতে আপনার কোন ধরনের কন্টেন্ট ব্যবহার বেশি কার্যকারি সেটা জানা।

যেমন: ইনস্টাগ্রামে মার্কেটিং করতে ভালো ছবি বেশি উপকারি। ফেসবুকের ক্ষেত্রে ছবির সাথে ক্যাপশনটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইত্যাদি খুটিনাটি সব জানতে হবে।

আমার পরামর্শ হবে, সবকিছু না শিখে উপর থেকে যেকোনো ছোট একটি টপিকের উপর দক্ষতা অর্জন করুন। চাইলে আরো ছোট্ট টপিক নিতে পারেন।

যেমন: সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং না শিকে এর ভিতরে থাকা ফেসবুক মার্কেটিং শিখতে পারেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভাবিষ্যৎ

সবকিছুর ভিতর ইন্টারনেট নাক গলাচ্ছে 🙂 মানে সবকিছুতে ইন্টারনেটের ব্যবহার জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ যেহেতু শপিং থেকে সবকিছুই ডিজিটালি করছে।

তাই ডিজিটাল উপায়ে মানুষের কাছে পৌছানো অনেক সহজ হবে। ডিজিটাল উপায়ে মানুষের কাছে পৌছাতে হলে ডিজিটাল মার্কেটিং জানতে হবে। সোজা হিসাব!!!!!!!

অলরেডি ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেন্ড শরু হয়ে গেছে। মানুষ কোনো জিনিস কেনার আগে গুগলে সার্চ করে পণ্যটির সম্পর্কে জেনে নিচ্ছে। ভালো লাগলে সেখান থেকেই অর্ডার করে দিচ্ছে। [কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের জলিজ্যান্ত উদাহরণ দিলাম]

grandviewresearch এর তথ্যমতে ২০২০ সালে ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রির সাইজ USD 49.43 billion ছিলো; যেটা ২০২৮ এ গিয়ে USD 182.21 billion হবে।

যেহেতু ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রি বড় হবে তাই এই সেক্টকে লোকের চাহিদা বাড়বে।

আপনি যদি ক্যারিয়ার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিংকে নিতে চান, এখনই সময়। শিখে ফেলুন আশা করা যায় আপনার দক্ষতা অনুযায়ী আয় করতে পারবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স কোথায় করবেন

শেখার জন্য আপনার টাকা থাকতে হবে, কোর্সে ভর্তি হতে হবে!!! এসব চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন।

আপনি যেহেতু মার্কেটার হিসেবে কাজ করতে চান; ইন্টারনেটে সার্চ করার দক্ষতা বাড়াতে হবে।

আপনি যদি ভালো ইন্টারনেট সার্চ করতে পারেন; আপনার শেখার জন্য কোনো ইনস্টিটিউটে ভর্তির দরকার নাই। গুগল ও ইউটিউবে শিখার মতো প্রচুর রিসোর্চ আছে।

একটু খোলাখুলি বলি:-

আপনি যে টপিকটা শিখতে চান; ইন্টারনেট থেকে সেটার কোর্স মডিউল বের করুন। বিভিন্ন ইনস্টিটিউট এগুলো তাদের ওয়েবসাইটে রেখে দেয়, ডাউনলোড করুন।

ধরে নিলাম আপনি সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখবেন।

প্রথমে আপনাকে সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কোর্সে কিকি শেখানো হয়; তার একটি কোর্স সিলেবাস বা মডিউল বের করুন। চাইলে সোস্যাল মিডিয়ার উপর লেখা কিছু ইন্টারন্যাশনাল বইয়ের পিডিএফ ডাউনলোড করতে পারেন। এগুলো ফ্রিতে পাওয়া যায়।

প্রতিটি টপিক সিরিয়ালি গুগল ও ইউটিউবে সার্চ করুন এবং শিখতে থাকুন। এভাবে আপনি নিজে নিজে শিখতে পারবেন। এবং বাংলাদেশের যেকোনো কোর্সের তুলনায় অনেক ভালোভাবে।

এভাবে শিখতে হলে আপনার প্রচুর মটিভেশন থাকতে হবে।

যদি মনে করেন এভাবে শিখতে পারবেন না!! তাহলে কোর্সে ভর্তি হতে পারেন। নিজে নিজে শিখতে না পারলে ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য নয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

Digital Platform ব্যবহার করে মার্কেটিং করাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে। SEO, Social Media Marketing, Affillite Marketing সবই ডিজিটাল মার্কেটিং এর আওতায় পড়ে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেন

ডিজিটাল প্লাটফরম ব্যবহার করে মার্কেটিং করাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে। SEO, Social Media Marketing, Affillite Marketing সবই ডিজিটাল মার্কেটিং এর আওতায় পড়ে।

Digital Marketing কারণ ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সহজে ও অল্প খরচে টার্গেট অডিয়েন্সের বা কাস্টমারের কাছে পৌছানো যায়।

ফ্রীতে প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার উপায় কি ?

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স কোথায় করবেন” এই সেকশনে আমি বলেছি কিভাবে আপনি ফ্রিতে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবেন। স্ক্রল করে পড়ে নিন।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? এখন নিশ্চই ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন। ডিজিটাল মার্কেটিং কেন শিখবেন। কোথা থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করবেন নিশ্চই বুঝতে পারছেন।

-> তাহলে একটা শেয়ার দিন 😆

প্রযুক্তির প্রতি চরম আকর্ষণ থেকেই টেলিকমিউনিকেশনে পড়ছি। প্রযুক্তির কঠিন বিষয়গুলি সহজভাবে মানুষকে বলতে খুবই ভাল্লাগে। এই ভালোলাগা থেকেই লেখালিখি শুরু। ওয়েব ডেভলপমেন্ট ও নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা আমার নেশা ও পেশা।

মন্তব্য করুনঃ-

  1. অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর করে উপস্থাপনা করার জন্য। আপনার ব্লগটিতে এরম আর উৎকৃষ্ট মানের পোস্ট পাব এই আশা করলাম।