মোবাইল ফটোগ্রাফি: ছবি বিক্রি করে আয় করার উপায় ২০২১

ছবি বিক্রি করে আয়!! আপনার কি ছবি তুলার খুব নেশা!! আপনি চাইলে খুব সহজে ছবি তোলাকে পেশা হিসাবে নিতে পারেন। ছবি তুলে আপনি দুইভাবে আয় করতে পারেন।

1076 VIEWS

অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয়

আপনার কি ছবি তুলার খুব নেশা!! আপনি চাইলে খুব সহজে ছবি তোলাকে পেশা হিসাবে নিতে পারেন। ছবি তুলে আপনি দুইভাবে আয় করতে পারেন।

  • অনলাইন আয়
  • গতানুগতিক বা অফলাইন আয়।

অফলাইনে ছবি তুলে কিভাবে আয় করতে হয়, অধিকাংশ মানুষ জানে। বাজারের মাঝে একটি ফটোস্টুডিও খুলে বসুন। মানুষ ছবি তুলতে আসবে, ছবি তুলে প্রিন্ট করে দিন। ব্যাস আপনার আয় হয়ে গেল।

আবার অনেক সময় বাড়িতে বিভিন্ন ইভেন্ট যেমন: বিয়ে, জন্মদিন ইত্যাদিতে ভিডিও বা ছবি তুলতে আপনাকে ডাকবে। সেখানে ‍গিয়ে ছবি তুলে টাকা আয় করুন।

অফলাইনে ফটোগ্রাফি করতে কি কি লাগে?

  • ক্যামেরা বা মোবাইল
  • একটি কম্পিউটার
  • প্রিন্টার
  • দোকান (এটা না হলেও হবে, ‍যদি আপনার পরিচিতি থাকে বাড়ি থেকে কাজ চালাতে পারেন।)

অনলাইনে ফটোগ্রাফি করে আয় করার উপায়

সবচেয়ে মজার ব্যপার ফটোগ্রফি করে যে, অনলাইনে আয় করা যায় এটাই অনেকে জানে না। অফলাইনের চেয়ে অনলাইনে ফটোগ্রাফি করে অনেক বেশি আয় করা যায়।

আজকে আমরা অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার বিস্তারিত উপায় সম্পর্কে জানব। মোবাইল ফটোগ্রাফি: ছবি বিক্রি করে আয় করার উপায় ২০২১ শুরু করা যাক।

ছবি বিক্রি করে অনলাইনে আয় করতে কিকি লাগে

অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার জন্য শুধুমাত্র আপনার হাতের স্মার্টফোনই যথেষ্ট। তবে গুড় বেশি দিলে, খির বেশি মিষ্টি লাগে। তাই কিছু টুলসের নাম:

  • ভালো মানের ক্যামেরা
  • কম্পিউটার
  • স্টুডিও সেট-আপ

কিছু সফটওয়্যার দক্ষতা:

  • এডোবি ফটোশপ
  • এডোবি ইলাসট্রেটর
  • Adobe Lightroom Classic

মোটামুটি এগুলোর উপর ভালো দক্ষতা অর্জন করেই প্রোফেশনাল মানের ছবি তৈরি সম্ভব। আপনার ছবির কোয়ালিটি যত ভালো হবে ছবি বিক্রির সম্ভাবণা তত বৃদ্ধি পাবে।

মোবাইলে ফটোগ্রাফি করে আয় করার উপায়

ভাইয়া, আমার কাছে তো কম্পিউটার নাই! আমি আগে কম্পিউটার কিনি, ক্যামেরা কিনি, সেটআপ রুম তৈরি করি তারপর শুরু করব।

এমন কথা যারা বলছেন, বা বলার কথা ভাবছেন তাদের বলব শুরু করতে। একটা কথা মনে রাখবেন, কম্পিউটার বা ক্যামেরা আপনার আয় করে দিবে না; এগুলো আপনার আয় করার একটা টুলস মাত্র।

অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার জন্য দরকার ধের্য্য ও কর্ম করার ইচ্ছা। আপনি মোবাইল দিয়ে শুরু করুন। মোবাইল কিন্তু অনেক বড় একটা টুলস আয় করার জন্য।

মোবাইল ফটোগ্রাফি করে আয় করতে দরকার

প্রথমেই বলব মোবাইল বা ক্যামেরা যা দিয়েই ফটোগ্রাফি করেন; আয় করতে মূলত দরকার দক্ষতা। আপনি নাচতে জানলে, বাঁকা উঠানও সোজা লাগবে। তাই ক্যামেরা ধরার পদ্ধতি ও কিছু টুলসের ব্যবহার শিখুন।

মোবাইলে ফটো এডিট করার মারাত্নক সব টুলস রয়েছে। তার ভিতর থেকে কয়েকটা শিখুন। আমি কয়েকটার নাম দিচ্ছি:

  • Snapseed
  • PicsArt
  • Adobe Lightroom
  • Canva
  • Fotor
  • Pixlr

এগুলোর উপর ভালো দক্ষতা অর্জন করতে পারলে আপনার কম্পিউটার লাগবে না। তাছাড়া কম্পিউটারের সফটওয়্যারের চেয়ে মোবাইলের এপসের বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা সহজ। এন্ড্রয়েডের এপসগুলোর ইউআই খুব ভালো হয়।

আপনার কাছে যা আছে, তাই নিয়ে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়। দিনে দিনে দক্ষতা বৃদ্ধি কর। হার না মানার প্রত্যয় নিয়ে শুরু কর।

আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ। আমরা প্রোফেশনাল মানের ফটো বা ছবি তৈরি করে ফেলেছি, এখন মার্কেটিং করা বেচার সময়।

অনলাইনে ছবি বিক্রি করার উপায়

অনলাইনে ছবি হাজারো উপায়ে বিক্রি করতে পারেন। তবে দুটো উপায় অথেনটিক এবং আপনার জন্য সুবিধাজনক।

  • নিজের ওয়েবসাইটে ছবি বিক্রি করে আয়
  • স্টক ইমেজ ওয়েবসাইটে ছবি বিক্রি

নিজের ওয়েবসাইটে ছবি বিক্রি করে আয় করার উপায়?

নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে আপনার ছবি আপলোড করে বিক্রি করতে পারেন। ছবি কাস্টমারের কাছে দেখানোর উদ্দেশ্যে দিলে ওয়াটার মার্ক ব্যবহার করবেন। না হলে আপনার অনুমতি বাদেই ব্যবহার করতে পারে।

নিজের ওয়েবসাইটে ছবি বিক্রি করা কিছুটা ঝমেলার। একটি নতুন ওয়েবসাইটে ভিজির পাওয়া খুব কষ্টের আর আপনি তো কাস্টমার খুজছেন।

নিজের ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে ছবি বিক্রি করা অনেক কষ্টসাধ্য ও খরচের বিষয়। আপনার নিজের সাইটের মাধ্যমে ছবি বিক্রি করতে হলে প্রচুর মার্কেটিং করতে হবে। আমার উপদেশ থাকবে ফটোস্টক সাইটগুলোই ছবি বিক্রির চেষ্টা করুন। পাশাপাশি নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকলে ভালো হয়।

স্টক ইমেজ ওয়েবসাইট গুলোতে ছবি বিক্রি করার উপায়?

আমার প্রথম বিকমেন্ডেশন হল প্রথম অবস্থায় স্টক ইমেজ সাইটগুলোতে ছবি বিক্রির চেষ্টা করা। স্টক ইমেজ ওয়েবসাইটগুলো মূলত ক্রিয়েটর ও কাস্টমারের মধ্যে ব্রোকার হিসেবে কাজ করে।

স্টক ইমেজ ওয়েবসাইটে ছবি বিক্রি করে আয় করা খুবই সহজ। আপনাকে বেশি কিছু করার দরকার নেই! শুধুমাত্র স্টক ইমেজ সাইটে রেজিস্ট্রেশন করবেন ও আপনার ছবিগুলো আপলোড করে দিবেন।

আপনার কাজ এই পর্যন্ত শেষ, এরপর ছবি বিক্রির ও ম্যানেজ করার দায় সাইটগুলোর। স্টক ইমেজ সাইটগুলো প্রতিবার বিক্রির জন্য ২৫%-৮০% পর্যন্ত কমিশন দেয়।

কিভাবে স্টক ইমেজ ওয়েবসাইটে রেজিস্টার করতে হয়?

আপনি যে স্টক ইমেজ ওয়েবসাইটে, ছবি বিক্রির জন্য ছবি আপলোড করতে চান সেখানে ‍Submit image or Sell your image এই ধরণের অপশন পাবেন।

কিভাবে স্টক ইমেজ ওয়েবসাইটে রেজিস্টার করতে হয়?
স্টক ইমেজ ওয়েবসাইটে রেজিস্টার

কিছু তথ্য চেয়ে এই ধরনের ফর্ম আসবে, সেগুলো সঠিকভাবে পূরণ করে খুব সহজে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। কোনো সাইটে রেজিস্টারের পূর্বে তাদের terms & condition পেজটি ভালোভাবে পড়ে নিবেন।

সেখান থেকে আপনি প্রতি বিক্রয়কৃত ছবিতে কত পার্সেন্ট কমিশন পাবেন, কোন ধরণের ছবি বিক্রি করতে পারেন সব জানতে পারবেন।

কিছুৃ স্টক ইমেজ ওয়েবসাইটের নাম:

ছবিগুলো কারা ক্রয় করে? কেন ক্রয় করে?

বিভিন্ন ওয়েবসাইট, কর্পোরেশন সংস্থা, গণমাধ্যম, বিজ্ঞাপনী সংস্থা, ডিজাইনার, মার্কেটার, ই-কমার্স সাইটে অনলাইন জগৎ আজ জমজমাট। বিজ্ঞাপনী সংস্থা থেকে শুরু করে ব্লগার সবারই কোন না কোন কাজে ছবি প্রয়োজন।

গাছপালা, ফুল-ফল, পাহাড়-নদী, জীবনযাত্রা, খাবার-দাবার, উৎসব, যানজট, আন্দোলন, পোশাকসহ এখন প্রায় সকল ধরণের ছবিরই চাহিদা প্রচুর।

গণমাধ্যম, ব্লগ বা ই-কমার্স সাইটে প্রয়োজনীয় ছবির জন্য আলাদা করে ফটোশুট করা অনেক বেশি ঝামেলার ও ব্যয়বহুল। তাই তাদের বিভিন্ন স্টক ইমেজ ওয়েবসাইট থেকে ছবি কিনতে হয়।

এভাবে আপনি যেমন অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করতে পারবেন তেমনি ছবির জন্য তাদের আলাদা করে ফটোশুট করতে হবে না।

অনলাইনে ছবি বিক্রি করে কতটা লাভ হয়?

কেউ মোবাইল দিয়ে ফটোগ্রাফি করে মাসে হাজার হাজার ডলার আয় করছে, আর কেউ ভালো ক্যামের থাকা পরও আয় হয় না। তাই অনলাইনে ছবি বিক্রি করে কতটা আয় করতে পারবেন; তা নির্ভর করবে বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর।

অনলাইনে ছবি বিক্রি করে কতটা লাভ হয়?
অনলাইনে ছবি বিক্রি করে কতটা লাভ

ছবির কোয়ালিটি

আপনার ছবিগুলো কি যথেষ্ট কোয়ালিটিফুল? সাধারণ মানের ছবি কখনোই ক্লায়েন্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে না। ফটোগ্ৰাফি করে আয় করতে হলে আপনাকে কোয়ালিটি সম্পন্ন ছবি তুলতে হবে। ছবির রেজুলেশন, আলোর প্রভাব, কোণ সবকিছু খেয়াল রাখতে হবে।

ইডিটও করতে হবে নিখুঁত ভাবে। মোটকথা আপলোডের জন্য আপনাকে খুব খেঁটেখুঁটে এবং সময় নিয়ে একটি ছবি তৈরি করতে হবে। স্টক ইমেজ সাইটে কোয়ালিটিফুল ছবির সংখ্যা কয়েক মিলিয়ন। এত ছবির মধ্যে ক্লায়েন্ট সে ছবিটিই বেছে নেবে যেটায় বিশেষত্ব থাকবে।

সেইসাথে ছবি বিক্রি করে আয় এর জন্য ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী ছবি তোলাটাও জরুরী। বিভিন্ন স্টক ইমেজ সাইটের ছবিগুলো নিয়ে রিসার্চ করলে; আপনি ক্লায়েন্টদের চাহিদা সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবেন।

ছবি আপলোডের সংখ্যা

কোয়ালিটির পর অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় এর পরিমাণ নির্ভর করবে- ছবির সংখ্যার উপর। সাইটে আপলোড করা ছবির সংখ্যা যত বেশি হবে তা বিক্রির সম্ভবনাও তত বাড়বে। এবং সেইসাথে আপনার আয় এর সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে।

তাই প্রতিদিন অন্তত ৫ টি ছবি আপলোড করুন। তাহলে মাসে তার সংখ্যা দাড়াবে ৫×৩০=১৫০! এবং ৬ মাসে ছবির মোট পরিমাণ হবে ১৫০×৬=৯০০টা।

তবে ছবির সংখ্যার চেয়ে ছবির কোয়ালিটির দিকে বেশি নজর দিবেন।

প্রতি ছবি বিক্রিতে কমিশন

প্রতি ছবি বিক্রিতে কমিশন
প্রতি ছবি বিক্রিতে কমিশন

প্রতিবার ছবি বিক্রিতে কমিশনের উপরও আপনার আয় নির্ভর করবে। স্টক ইমেজ সাইটভেদে সাধারণ ২৫%-৮৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়া হয়।

প্রতিবার ছবি বিক্রিতে ৩ ডলার দেয়া হলে ১০০ টি ছবি বিক্রিতে আপনার আয় হবে ৩×১০০=৩০০ ডলার

ছবি বিক্রির ধরণ

অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় এর পরিমাণ নির্ভর করে প্রতি ছবি বিক্রিতে প্রাপ্ত কমিশনের উপর এবং এই কমিশন অনেকটাই নির্ভর করবে- ছবি বিক্রির ধরণের উপর। স্টক ইমেজ সাইটগুলোতে আপনার ছবিগুলো দুটি লাইসেন্সে বিক্রি হতে পারে, Exclusively এবং Non-exclusively.

প্রতিবার ছবি আপলোডের আগে এক্সুসিভ বা নন-এক্সুসিভ সিলেক্ট করে দিতে হয়।

Exclusive License: এই লাইসেন্স অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট ছবি আপনি শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটেই বিক্রি করতে পারবেন। এক্ষেত্রে একাধিক ওয়েবসাইটে একই ছবি আপলোড করে আয় এর সুযোগ আপনি পাচ্ছেন না।

Exclusive License এ প্রতি ছবি বিক্রিতে তুলনামূলক বেশি কমিশন দেয়া হয়। তবে শুধুমাত্র একটি ওয়েবসাইটে ছবি আপলোড করা হয় বলে তা বিক্রির সম্ভাবনা খুবই কম। তাই এক্ষেত্রে ফটোগ্ৰাফি করে আয় এর পরিমাণও কম হবে।

Non-exclusive License: এ লাইসেন্স অনুযায়ী আপনি একটি নির্দিষ্ট ছবি একাধিক সাইটে আপলোডের সুযোগ পাবেন।Non-exclusively প্রতি ছবি বিক্রিতে আপনাকে তুলনামূলক কম কমিশন দেয়া হবে। তাই অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় এর পরিমাণও হবে কম।

ছবি বিক্রি করে আয় শুরু হতে কতদিন লাগবে?

এ প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে দুটি বিষয়ের উপর।

  1. ছবির কোয়ালিটি
  2. ছবি আপলোডের সংখ্যা

আপনি কি নিয়মিত প্রচুর ছবি আপলোড করে চলেছেন? আপনার ছবিগুলো কি ক্লায়েন্টের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য উপযোগী? আপনি কি একাধিক সাইটে ছবি আপলোড করছেন? আপনার উত্তর যদি হ্যাঁ হয়; তবে শ্রীঘ্রই আপনি টাকার মুখ দেখতে চলেছেন।

হাই কোয়ালিটির ছবি আপনার ফটোগ্ৰাফি ক্যারিয়ার এ সফলতার প্রথম শর্ত। সেইসাথে ছবি আপলোডের পরিমাণ যত বেশি হবে ততই আপনার পরিচিতি বাড়বে। একাজগুলো আপনি যত তাড়াতাড়ি করতে পারবেন; তত দ্রুত আপনার আয় শুরু হবে।

অন্তত ৩-৪ টি স্টক ইমেজ সাইটে ছবি আপলোডের চেষ্টা করুন। তাতে আপনার ছবিগুলো বিক্রির সম্ভাবনা প্রচুর বেড়ে যাবে।

তবে মোটা অংকের টাকা আয়ের জন্য অন্তত ৬ মাস লাগবেই লাগবে। খুব বেশি করে খাটলে ৩-৪ মাসেও সম্ভব। তবে এর আগে সফলতার আশা করা বোকামি।

শেষকথা: ছবি বিক্রি করে আয় করতে হলে দরকার ফটোগ্রাফির উপর প্যাশান। আপনার প্যাশান না থাকলে আপনি অল্পতে হতাশ হবেন।

আপনাকে ধৈর্য ধরে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সবসময় নিজেকে আপডেট রাখেতে হবে। ভালো কোয়ালিটির কোনো বিকল্প হয় না। আপনার ছবিতে যত দম থাকবে, আপনার বিক্রিও তত বেশি হবে।

আরো কিছু পোস্ট:

প্রযুক্তির প্রতি চরম আকর্ষণ থেকেই টেলিকমিউনিকেশনে পড়ছি। প্রযুক্তির কঠিন বিষয়গুলি সহজভাবে মানুষকে বলতে খুবই ভাল্লাগে। এই ভালোলাগা থেকেই লেখালিখি শুরু। ওয়েব ডেভলপমেন্ট ও নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা আমার নেশা ও পেশা।

মন্তব্য করুনঃ-