কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি ক্যাটাগরি ব্যবহার করব | How use category for SEO

ক্যাটাগরি এসইও (SEO friendly Category) আপনার সাইটকে এসইওর দিক থেকে একধাপ বাডিয়ে দিবে। আলোচনার বিষয়বস্তু: ক্যাটাগরি এসইও র জন্য ভালো না খারাপ।

844 VIEWS

SEO friendly ক্যাটাগরি পেজ

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে সাইট বানালে ক্যাটাগরি ব্যবহার করার অপশন থাকে। কিভাবে ক্যাটাগরিকে ব্যবহার করে সাইটের উন্নতি করতে পারি।

ওয়ার্ডপ্রেসে ক্যাটাগরি ও ট্যাগ ব্যবহার করে আমাদের সাইটের স্ট্রাকচারকে আরো সুন্দর করে তুলতে পারি। আরো বেশি ভিজিটরকে আকর্ষণ করতে পারি।

শুধু যে ভিজিটরদের কাছে আকর্ষণীয় হবে বিষয়টা এমন নয়, সাইট এসইও ফ্রেন্ডলি করতে ক্যাটাগরি ও ট্যাগের ভুমিকা আছে।

ওয়েবসাইট বা ব্লগে এসইও করার ক্ষেত্রে আমি একটা বিষয় প্রধান্য দিই তা হল:

  • খারাপ কোয়ালিটির (Low quantity) কন্টেন্টগুলো গুগলের ইনডেক্সের বাইরে রাখুন।

আজ আমরা কথা বলব, ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাটাগরি ও এসইও নিয়ে:

আমি আরো একটি প্রশ্নের উত্তর দিব,

  • ক্যাটাগরি ও ট্যাগ পেজগুলোকে no-index নাকি do-index করে রাখব?

ইউজার এক্সপেরিয়েন্সের কথা ভাবলে ক্যাটাগরি ও ট্যাগ খুবি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অধিকাংশ রিলেটেড আর্টিকেল ফিচারযুক্ত প্লাগিন, রিলেটেড পোস্ট দেখানোর জন্য ক্যাটাগরি ও ট্যাগের ব্যবহার করে।

আপনার সাইটে ক্যাটাগরি ব্যবহার না করলে, ইউজারদের সামনে অসামঞ্জস্য পোস্ট দেখাবে; যেটাকে ইউজারের কোনো ইন্টারেস্ট নেই। তাই পেজ ভিউ অনেক কম হবে। আপনার সাইটের বাউন্সরেট বাড়তে পারে।

how to use seo friendly category in bengali

কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাটাগরি তৈরি করতে হবে?

ক্যাটাগরি তৈরির জন্য প্রথমে আপনার সঠিক প্লানের দরকার হবে। আপনার সাইটের ধরণ অনুয়ায়ী ক্যাটাগরি তৈরি করুন।

আপনাকে ব্লগ শুরু করার সময়ই সকল ক্যাটাগরি লিখে ফেলুন। এবং ক্যাটাগরি অনুযায়ী কন্টেন্ট পাবলিশ করতে থাকুন। এটি আপনাকে নিসের উপর ফোকাস রাখতেও সাহায্য করবে।

এখন আরেকটি প্রশ্নে আসি:

ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাটাগরি কি এসইও ফ্রেন্ডলি?

উপরের মেনশন করা কথাটি আবার বলছি, ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাটাগরি ওয়েবসাইটের স্ট্রাকচারের জন্য খুবই ভালো। কিন্তু সার্চিইঞ্জিন মানে গুগলের দিক থেকে বিচার করলে ক্যাটাগরি পেজটি লো-কোয়ালিটি পেজ।

গুগল আপনার কন্টেন্টকে ( পোস্ট ) সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে, ক্যাটাগরি ও ট্যাগের তুলনায়। যেহেতু সার্চইঞ্জিন আপনার ক্যাটাগরি পেজকে লো কোয়ালিটি পেজ হিসাবে বিচার করে। তাই গুগলের কাছে এই পেজের কোনো দাম নেই।

ক্যাটাগরি পেজে এসইও:

অধিকাংশ ব্লগার মনে করে বেশি পেজ মানে বেশি ভিজিটর। বিষয়টি মোটেও এমন নয়; এমন যে বেশি কোয়ালিটি পেজ = বেশি ট্রাফিক।

গুগল পান্ডা আপডেট ২০১১, এর দিকে, বেশি পেজ মানে বেশি ট্রাফিক আসতো, কারণ গুগল তখন অত স্মার্ট ছিলো না।

বর্তমান ২০২১, তাই ব্যাকডেটেড (backdated) এসইও টিউটোরিয়ল দেখে এমনটি ভাবা বোকামি। গুগল এখন এমন আর্টিকেলকে ঘৃণা করে যেগুলোর কোনো ভ্যালু নেই।

ক্যাটাগরি পেজগুলো সাধারণত অল্প কিছু টাইটেল ও ডেসক্রিপশনের সমন্বেয়ে হয়ে থাকে। এটা নির্ভর করে আপনার ব্লগ সাইটের ডিজাইন কেমন।

সবসময় যে ক্যাটাগরি পেজটি লো কোয়ালিটি পেজ বিষয়টি এমনও নয়। তাই ক্যাটাগরি পেজগুলোর কিছু প্রশ্ন করুন।

  • গুগল সার্চের মাধ্যমে আসা ইউজারকে কি কোনোভাবে ক্যাটাগরি পেজটি সাহায্য করতে পারবে।
  • আপনার ক্যাটাগরির পাতা যদি ইনডেক্স করা হয়, তাহলে এটি কি আপনার পোস্টের মতো একই বিষয়বস্তু দেখায় না? (সাইটে ডুপ্লিকেট কন্টেন ইস্যু চলে আসবে )

ছোট্ট করে বলতে গেলে, ক্যাটাগরি পেজ নিরর্থক, এসইওর দিক থেকে বিচার করলে। কিন্তু ইউজার এক্সপেরিয়েন্সের দিক দিয়ে বিচার করলে অনেক কার্যকারী একটি বিষয়।

তাছাড়া ক্যাটাগরি পেজগুলো সাহায্য করে, গুগল বটকে আরো ডিপলী ক্রাউল (crawl deeply) করার জন্য।

My recommendation:

  • ক্যাটাগরি পেজগুলোকে “no-index” কিন্তু ”do-follow” করুন।

এটা নিশ্চিত করে, গুগল ক্যাটাগরি পেজগুলো ক্রাউল (crawl) করবে কিন্তু ইনডেক্স(index) করবে না।

আপনার সাইটের ক্যাটগরি যদি পরিবর্তন করার কথা ভাবেন, তবে একটি জিনিস নিশ্চিত করুন; যেন ক্যাটাগরি পেজের লিংকগুলো নষ্ট না হয়।

লিংক পরিবর্তন হয়ে গেলে, আপনার সাইটে 404 বা not found ইরোর তৈরি হবে। যা সাইটের এসইও-র জন্য খারাপ।

আপনার ব্লগের পার্মালিংক যদি “%category% / %posts%”, হয় তাহলে ক্যাটাগরি পরির্তন করবেন না; বা আপনার সাইটে মাইগ্রেশন প্লাগিন ব্যবহার করবেন না।

অনেক এসইও এক্সপার্ট পরামর্শ দিয়ে থাকে “%category% / %posts%” or “%date% / %posts%” এই ধরণের লিংক তৈরি করতে ।

আপনার সাইট যদি নিউজসাইট হয় তাহলে %date% ব্যবহার করতে পারেন। অন্যান্য সাইটের ক্ষেত্রে তারিখ দিয়ে লিংক তৈরি করবেন না। এতে কন্টেন্ট পুরাতন হয়ে যায়।

কন্টেন্ট আপডেট করলেও আগের সেই তারিখ থেকে যায়; আর তারিখ পরিবর্তন করতে গেলে লিংকেই পরিবর্তন হয়ে যায়। সকল ব্যকলিংক হারিয়ে যায় যেটি কাম্য নয়।

প্রযুক্তির প্রতি চরম আকর্ষণ থেকেই টেলিকমিউনিকেশনে পড়ছি। প্রযুক্তির কঠিন বিষয়গুলি সহজভাবে মানুষকে বলতে খুবই ভাল্লাগে। এই ভালোলাগা থেকেই লেখালিখি শুরু। ওয়েব ডেভলপমেন্ট ও নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা আমার নেশা ও পেশা।

মন্তব্য করুনঃ-