এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? Affiliate Marketing কিভাবে শুরু করবো

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? কোনো পণ্যের কমিশনভিত্তিক প্রমোশন করাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। Affiliate Marketing করার ৬টি উপায়।

281 VIEWS

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন তার সকল বিস্তারিত এখানে আলোচনা করা হবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং বুঝতে হলে আমাদের ডিজিটাল মার্কেটিং কি বুঝতে হবে।

একটা গল্প দিয়ে শুরু করি, আমার একটি ইংরেজি ব্লগ ছিলো যেটা দিয়ে আমার তেমন আয় হচ্ছিল না। একদিন আমার বড় ভাই নাইমের সাথে দেখা হয়, কথার মাঝে তার কাছে জানতে চাই ব্লগটি নিয়ে কি করব।

ভাইয়া কিন্তু কম্পিউটারের ছাত্র পাশাপাশি তার একটি ব্লগ আছে Pasfutur নামে। সে আমাকে পরামর্শ দিল শুধু এডসেন্সের উপর ভরসা না করে; এফিলিয়েট মার্কেটিং করে দেখতে পার।

আমি তখন জানতে চাইলাম,

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

ভাইয়া: অনলাইনে কোনো পণ্যের প্রমেশন। বাকি টা ইউটিউব থেকে দেখে নিও।

আমি ইউটিউব ঘাটাঘাটি শুরু করলাম। আমি যেটা জানতে পারলাম:

এফিলিয়েট মার্কেটিং হল কোনো পণ্যের রিকমেন্ডেশন করে একটা নির্দিষ্ট অংশের কমিশন নেয়া। মানে আমার রিকমেন্ড বা পরামর্শে কেউ যদি পণ্যটি ক্রয় করে তবে একটি কমিশন বা % পাব।

বিষয়টা এমন যে, দারাজ মোটর সাইকেল বিক্রি করে, আমার ব্লগে ডিসকভার মোটরসাইলের স্পেসিফিকেশন বা সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে একটি আর্টিকেল আছে।

আমি দারাজে খুজে দেখি ডিসকভার মোটর সাইকেল আছে; তো আমি দারাজের সাথে চুক্তি করলাম, আমি তোমার কিছু মোটর সাইকেল বিক্রি করে দিব।

আমার মাধ্যমে যতগুলো বিক্রি হবে, বিনিময়ে মোটরসাইকেল প্রতি ৫০০০ টাকা আমাকে দিতে হবে।

দারাজ রাজি হল, এবং কাস্টমার যে আমিই পাঠাচ্ছি তা বোঝার জন্য একটি ট্রাকিং লিংক দিল। আমার ব্লগের লেখার একটা জায়গায় লিংকটি দিয়ে রাখলাম।

রাকিব নামের একজন মোটরসাইকেল কিনবে, সে পরামর্শ নিতে ইন্টারনেটে সার্চ করল; আমার আর্টিকেলটি পেল এবং মোটর সাইকেলটি কিনবে বলে লিংকে ক্লিক করে দারাজে গেল ও দারাজ থেকে মোটরসাইকেলটি ক্রয় করল।

দারাজ দেখল রাকিব আমার লোক তাই তারা আমাকে ৫০০০ টাকা পঠিয়ে দিল।

এইযে আমি দারাজের একটি পণ্য বিক্রি করে দিয়ে কমিশন আয় করলাম, এটাই এফিলিয়েট মার্কেটিং।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? এবার নিশ্চই বুজতে পেরেছেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ ট্রাকিং লিংক কি

Tracking Link নামটা শুনেই বুঝতে পারছেন এখানে ট্রাক বা নজরে রাখার বিষয় আছে।

হ্যা, ট্রাকিং লিংক হল যে লিংকের মাধ্যমে আপনাকে নজরে রাখা যাবে। অর্থাৎ এই লিংকের মাধ্যমে কেউ তাদের সাইটে গেলে বুঝতে পারবে এটা আপনার লিংক থেকে আসা ট্রাফিক।

Affiliate Marketing কিভাবে শুরু করবো

ইন্টারনেট ঘাটাঘাটির পর দেখলাম, সবাই এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে ওয়েবসাইটের কথা বলছে।

তার মানে ওয়েবসাইট ছাড়া এফিলিয়েট মার্কেটিং করা সম্ভব নয়।

হ্যা, ওয়েবসাইট ছাড়া এফিলিয়েট মার্কেটিং করা একটু কষ্টকর কিন্তু সম্ভব।

অনেকে মনে করতে পারেন, ওয়েবসাইট বানিয়ে এফিলিয়েট করলে সমস্যা কোথায়? কোনো সমস্যা নাই!!!

কিন্তু…..কিন্তু,

একটা ওয়েবসাইট থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে তখনই আয় আসবে যখন আপনার সাইটে অনেক বা মোটামুটি মানের কিছু ট্রাফিক / ভিজিটর থাকবে।

যারা বিষয়টা জানেন না, একটি ওয়েবসাইট বানানো, গুগলে র‌্যাংক করা ও সেখানে ট্রাফিক নিয়ে আসা অনেক সময় সাপেক্ষ। একটি ওয়েবসাইটে অর্গানিক ট্রাফিক আসতে কম করে হলেও ৬ মাস লাগবে।

যাদের হাতে এত সময় নেই, তারা এফিলিয়েট ওয়েবসাইট করার পাশাপাশি বর্তমানে আয়ের জন্য নিচের উপায়গুলো অনুসরণ করুন।

১. অনলাইন কমিউনিটি ও ফরমে পোস্ট

বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন ফরম গড়ে উঠেছে, যেমন: কোরা, রেডটিডিট, মিডিয়াম ইত্যাদি। এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি একটি এফিলিয়েট প্রডাক্ট সিলেক্ট করুন। সেটার একটি খুব সুন্দর ল্যান্ডিং পেজ ডিজাইন করুন।

এবার বিভিন্ন ফরমে খুজে দেখুন আপনার প্রডাক্টের সাথে রিলেটেড নিসের কথা-বার্তা কোথায় হচ্ছে। সেখানে মানুষের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে মানুষকে হেল্প করুন। আপনার উত্তরের এক পর্যয়ে ল্যান্ডিং পেজের লিংক দিন।

সরাসরি অ্যাফিলিয়েট লিংক কেন দিবেন না?

কিছু কিছু এফিলিয়েট সাইট সরাসরি ফরমের মাধ্যমে ট্রাফিক আসলে আপনাকে এলাউ করবে না। তাছাড়া ফরম বা কমিউনিটিগুলোর একটি পলিসি আছে।

তাই সকল অফিসিয়াল-আনঅফিসিয়াল ঝামেলা এড়াতে প্রডাক্টের ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করে, সেটির লিংক দিন।

২. ই-বুক

মানুষ হার্ডকপি বাদ দিয়ে সফটকপি পড়ায় দিন দিন আগ্রহ দেখাচ্ছে।

এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে, আপনার প্রডাক্টের নিসের সাথে সম্পর্কযুক্ত কোনো বিষয়ে একটি ইবুক লিখে ফেলুন। এবং ফ্রিতে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিন।

সবসময় খেয়াল রাখবেন, বইটা যেন আকর্ষনীয় হয়; বেশি মানুষ পড়তে আগ্রহ দেখায়।

ই-বুকের বিভিন্ন জায়গায় এফিলিয়েট লিংক বা ল্যান্ডিংপেজের লিংক যুক্ত করুন। কে বলতে পারে পড়ার একটি পর্যয়ে সে লিংকে ক্লিক করবে ও সেখান থেকে কিছু কিনবে।

আর আপনার উদ্দেশ্যই তো বিক্রি হওয়া; আপনার কমিশন আপনি পেয়ে যাবেন।

৩. পিপিসি মার্কেটিং

ইউটিউব বা ফেসবুক পেইড মার্কেটিং করা যায়; এটা তো সবাই জানেন!!

পেইড মার্কেটিং হল আপনি ফেসবুক বা গুগলকে তাদের সাইটে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য টাকা দিবেন। এতে আপনি খুব কম সময়ে অনেক ট্রাফিক পাবেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে দ্রুত আয় করার জন্য পেইড মার্কেটিংয়ের বিকল্প নেই। কিন্তু একটু রিস্ক আছে;

রিস্কটা কোথায়, যেহেতু এখানে আপনার একটি ইনভেস্টমেন্ট লাগবে, সঠিক নিয়ম না জানতে পুরো টাকাই জলে। পেইড মার্কেটিং করতে চাইলে টার্গেট অডিয়েন্স / আপনার কাস্টমার কারা সেটা এনালাইসিস করা জরুরী।

পেইড মার্কেটিংয়ের আরেকটি অসুবিধা হল, অধিকাংশ এফিলিয়েট সাইটগুলো পেইড মার্কেটি সাপোর্ট করে না। এমনটি ফেসবুক নিজেও কোনো এফিলিয়েট লিংকের প্রমোশন করে না।

তাহলে কি করবেন, পেইড মার্কেটিং করার সময়?

১. ল্যান্ডিং পেজ ডিজাইন করা এবং এই পেজটা আকর্ষনীয় হতে হবে; এটির উপরেই নির্ভর করবে কতগুলো ভিজিটরকে কাস্টমারে কনভার্ট করতে পারবেন।

২. আপনার প্রডাক্ট কোন শ্রেণী, পেশা ও বয়সের লোক বেশি কিনবে সেটা বুঝা; যাতে অল্প বিজ্ঞাপনে বেশি কাস্টমার পেতে পারেন।

পেইড মার্কেটিং করতে আরো অনেক উপায় অবলম্বন করতে হয়; যেহেতু আজকের টপিক এটা নয়, তাই বেশি আলোচনা করলাম না।

৪. সোস্যাল মিডিয়া

বর্তমানে প্রায় সকলেই বিভিন্ন ধরনের সোস্যাল মিডিয়া, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টুইটার ইত্যাদি ব্যবহার করছে। এখানে আছে বিলিয়নের উপরে মানুষ।
ফেসবুক গ্রুপে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আলোচনা করা হয়ে থাকে; টুইটারে ট্রেন্ডিং টুইট থাকে। যেটা কয়েক লক্ষ লোক দেখে থাক।

আপনার টপিক রিলেটেড কোথাও কোনো আলোচনা হলে সেখানে অংশগ্রহণ করুন। মানুষকে সাহায্য করুন। এবং একটি ভালো রিলেশন হওয়ার পর আপনার প্রডাক্টের ব্যাপারে বলুন।

যদি তার সত্যিই জিনিসটার দরকার হয় তাহলে আপনার লিংক ব্যবহার করে কিনবে। আপনি পাবেন কমিশন।

সেস্যাল মিডিয়ায় এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে ফেসবুক, টুইটারের কোনো বিকল্প নেই।

তবে, সকল উপায়ে যে কথার উপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি, তা ল্যান্ডিং পেজ তৈরি। এফিলিয়েট মার্কেটিং -এ যতপ্রকারের সমস্যা বা রুল আছে সবাইকে এই একটি উপায়েই কুপকাত করা সম্ভব।

যদি চান আপনার টাকা ভালোয়-ভালোয় আপনার হাতে আসুক; তাহলে ল্যাডিং পেজের মাধ্যমে এফিলিয়েট সাইলে পাঠান।

৫. ই-মেইলে এফিলিয়েট মার্কেটিং

হ্যা আপনি চাইলেই, ইমেইলের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। প্রথমে আপনার নিসের উপর যারা কাজ করছে তাদের কাছ থেকে ই-মেইল লিস্ট সংগ্রহ করতে হবে।

আপনি ফেসবুক থেকে সার্ভে করে বা যে কোনো জায়গা থেকে ই-মেইল লিস্ট সংগ্রহ করতে পারেন। তবে আপনার প্রডাক্টের উপর ইন্টারেস্ট আছে এমন মানুষদের লিস্ট চাই ই চাই।

সুন্দর করে নিয়ম মেনে ল্যান্ডিং পেজ বানান। অনেক এফিলিয়েট সাইট ই-মেইল মার্কেটিং এলাউ করে না। সেক্ষেত্র ল্যান্ডিং পেজই একমাত্র ভরসা।

তবে আশার কথা আপনি যদি ভালোভাবে ইমেইল মার্কেটিং করতে পারেন, ৫০% পর্যন্ত কনভার্সন করতে পারবেন। এজন্যই তো ইমেইল মার্কেটিং মার্কেটিংয়ের রাজা।

৬. গেস্ট পোস্ট

হাই ডোমেইন অথোরিটিযুক্ত বিভিন্ন সাইট গেস্ট পোস্টের সুযোগ দিয়ে থাকে। যেখানে লেখালিখির পর আপনার এফিলিয়েট লিংকিটি দিতে পারেন।

এখন কথা হল, নিজের ওয়েবসাইটে না লিখে অন্যের সাইটে কেন লিখবেন?

গুগলে আপনার কন্টেন্ট র‌্যাংক করতে অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। তার ভিতর সাইটের অথোরিটি ও কন্টেন্ট কোয়ালিটি অন্যতম।

আপনি কন্টেন্ট কোয়ালিটি নিশ্চিত করতে পারলেও ডোমেইনের অথোরিটি হতে সময়ের দরকার। কমপক্ষে ১-৬ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে।

সেখানে হাই-অথোরিটি সাইটে লিখলে আপনার কন্টেন্ট অতিদ্রুত গুগলের প্রথম পেজে আসবে। বেশি ভিজিটর পাবেন। তাছাড়া ঐ সাইটের কিছু নিয়মিত ভিজটরও পাচ্ছেন।

আর আপনার দরকারইতো ভিজিটর, যাদের আপনি আপনার প্রডাক্ট কিনতে কনভেন্স করতে চান। তাই গেস্ট পোস্ট আপনার জন্য অনেক ভালো একটি অপশন।

Landing Page কি?

ল্যান্ডিং পেজ এমন একটি পেজ যেখানে কাস্টমার আপনার পেজে এসে প্রথম দেখবে। এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে ভিজিটর যে পেজে প্রথম ভিজিট করবে তাই ল্যান্ডিং পেজ।
এই পেজে সাধারণত কিছু প্রডাক্টের লিস্ট, বিবরন এবং call to action বাটন থাকবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স?

টাকাই লাগে না!! যদি কোনো কোর্স না করেন; ফ্রিতে অনলাইনে অনেক টিউটোরিয়াল আছে। সেখান থেকে শিখুন।
বেশি বেশি ইংলিশ আর্টিকেল ও টিউটোরিয়াল দেখুন। এফিলিয়েট মার্কেটিং একধরণের ব্যবসা, তাই লাভ লস থাকবে। আপনার লেগে থাকার মানষিকতা থাকতে হবে।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কোর্স করিয়ে থাকে; সেখান থেকে একটি কোর্স করতে পারেন। ২০০০-১৫০০০ এর ভিতর হয়ে যাবে।
তবে কোর্স কররেই ডলার আয় করে ফেলবেন; এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। [অনেকসময় ভূগোল বুঝাতে পারে,,, কোর্স করলেই হাজার ডলার আয়]

বাংলাদেশ থেকে কি এফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়

হ্যা, তার উদাহরণ অনেকেই আছে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ভবিষ্যত?

ভবিষ্যত অবশ্যই ভালো; কারণ অনলাইন বেচা-কেনা দিন দিন বাড়ছে। যেখানেই অনলাইন বেচাকেনা থাকবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং তো থাকবেই।

Conclusion

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? সেটা সম্পর্কে আশা করি কারো কনফিউশ নেই। থাকলে কমেন্ট করুন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চাইলে মার্কেট রিসার্স করার দক্ষতা থাকা অনেক জরুরী। যেটি সময়ের সাথে সাথে আপনি অর্জন করবেন।

আমি মূলত এখানে বুঝাতে চাইছি, ওয়েবসাইট বাদেও এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত কোনো প্রডাক্টের প্রমোশন করা বা মানুষকে প্রডাক্টটি কিনতে কনভেন্স করা।

এখন মানুষকে কনভেন্স করতে হলে, আগে তো মানুষ দরকার 🙂 তাই না। এই মানুষগুলা পাবো কোথায়; এরজন্য রয়েছে বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া, বিভিন্ন কমিউনিটি, ফরম। যেখান থেকে আমাদের কিছু কাস্টমার বেরিয়ে আসবে। তারা আমার লিংক ব্যবহার করবে এবং আমি কমিশন পাব। এটিই মূল কনসেপ্ট।

আপনি এই কনসেপ্ট ব্যবহার করে আলোচিত উপায়গুলো বাদেও; এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য নতুন নতুন উপায় উদ্ভাবণ করতে পারবেন।

নতুন নতুন উপায় পেলে কমেন্টে জানতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

প্রযুক্তির প্রতি চরম আকর্ষণ থেকেই টেলিকমিউনিকেশনে পড়ছি। প্রযুক্তির কঠিন বিষয়গুলি সহজভাবে মানুষকে বলতে খুবই ভাল্লাগে। এই ভালোলাগা থেকেই লেখালিখি শুরু। ওয়েব ডেভলপমেন্ট ও নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা আমার নেশা ও পেশা।

মন্তব্য করুনঃ-