১৩টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া | ১৩টি লাভজনক অনলাইন ব্যবসা।

১৩টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া নিয়ে আজকের এই আর্টিকেল। বর্তমান সময়ে অনলাইনে ব্যবসা খুবই দ্রুত প্রসার হচ্ছে। তাই ১৩টি লাভজনক অনলাইন ব্যবসার Idea.

641 VIEWS

অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

বর্তমানে প্রযুক্তির প্রসারের ফলে, আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে ইন্টারনেট। তাই আপনি চাইলেই, ঘরে বসে শুরু করতে পারেন আপনার অনলাইন বিজনেস। আর্টিকেলটিতে ১৩টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া শেয়ার করব; আশা করি ১৩টির বেশি আইডিয়া দিতে পারবো।

তবে আপনাকে ব্যবসার আইডিয়াকে কাজে লাগাতে হবে। আপনি যেকোনো জায়গা:- ঘরে বসে, ভ্রমণ করতে করতে বা পার্কে বসে কাজ করতে পারেন।

আজই আপনার অনলাইন ব্যবসাটি শুরু করুন:-

১. অনলাইন বিজনেস আইডিয়া: ব্লগ থেকে আয়

অনেকে বলতে পারে, ব্লগিং আবার ব্যবসার মধ্যে পড়ে।

কিন্তু আপনি যদি আমার কাছে সবচেয়ে সহজ ও কার্যকারী ব্যবসা কোনটি জানতে চান? আমি বলব ব্লগ।

কারণ এখানে আপনাকে কোনো ম্যানেজমেন্টের ঝামেলা করা লাগবে না। শুধু জ্ঞান দিবেন… আর টাকা নিবেন 🙂

ব্লগিং থেকে অনেক টাকা আয় করা যায়। এবং ব্লগিং থেকে ইনকাম করার অনেক উপায় আছে। আপনি যদি শুধুমাত্র আয়ের উদ্দেশ্যে ব্লগিং শুরু করেন, তবে আয় করা একটু কষ্টকর।

আপনাকে নিয়মিত আর্টিকেল লিখতে হবে, ভিজিটরদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। তবেই আপনি ব্লগিং করে আয় করতে পারবেন।

২. অ্যাফিলিয়েট এবং সিপিএ মার্কেটিং

এফিলিয়েট ও সিপিয়ে মার্কেটিং বর্তমান সময়ের সবচেয়ে ট্রেন্ডিং বিজনেস। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত অন্য কারও পণ্যের প্রচার করে কমিশন অর্জনের প্রক্রিয়া।

মূলত বর্তমান সময়ের মানুষ দুটি পদ্ধতিতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে।

Information প্রডাক্ট: আপনি ইবুক, মেম্বারশিপ সাইট, ভিডিও সিরিজ ইত্যাদি পণ্যের প্রচার করতে পারেন।

এই ধরণের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনাকে 50% বা তার বেশি কমিশন দেয়, এ ব্যবসায় প্রবেশের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম বাধা রয়েছে এবং প্রচারের জন্য পণ্যগুলি খুঁজে পাওয়া সহজ।

অ্যামাজন পার্টনার: অ্যামাজন বিশ্বের নাম্বার #১ কোম্পানী। তাদের অ্যামাজন এসোসিয়েট প্রোগ্রাম রয়েছে, যেখানে যোগদান করে যেকোনো অ্যামাজন প্রডাক্ট প্রমোট করতে পারেন।

নোট: অ্যাফিলিয়েট করার আগে আপনাকে এসইও ও কপিরাইট সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন জরুরী। তা না হলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে সফল হতে পারবেন না।

অনলাইন বিজনেস আইডিয়া / Online Business Idea

৩. ওয়েবসাইট ক্রয়-বিক্রয়

সাইট কেনা-বেচা হল অনলাইনে সম্পত্তির সমতুল্য। বিজনেস পলিসিটা এমন:- একটি ওয়েবসাইট কিনবেন, কিছু উন্নতি করবেন ও লাভজনক অবস্থায় গেলে বিক্রি করে দিবেন।

আপনি কেবল বিক্রিতেই অর্থ উপার্জন করতে পারবেন তা নয়, এর উপরে আপনি মাসিক মুনাফাও করতে পারেন।

এটি যদি আপনি সঠিকভাবে করতে পারেন, তবে এটিকে সবচেয়ে লাভজনক অনলাইন ব্যবসা হতে পারে।

৪. ডোমেইন ক্রয়-বিক্রয়

ডোমেইন ক্রয়-বিক্রয় খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা। আপনি শুধু কিছু ভালো ওয়ার্ডযুক্ত ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে রেখে দিবেন।

এবং সেই ডোমেইন দিয়ে একটি ল্যান্ডিং পেজ বানিয়ে রাখবেন। সেটা বিক্রি হবে এমন ল্যান্ডিং পেজ ও ক্রয় করার জন্য কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে তা উল্লেখ করবেন।

এই ব্যবসায় রিক্স বেশি হলে, ৮ ডলারের একটি ডোমেইন ৮০০০ ডলারেও বিক্রি করতে পারবেন।

বিজনেস আইডিয়া: ওয়েবসাইট ক্রয়-বিক্রয়
ওয়েবসাইট ক্রয়-বিক্রয়

৫. ‍ড্রপশিপিং ব্যবসা

বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি ব্যবসা ড্রপশিপিংয়ের ব্যবসা।

কখনও কি ভেবেছেন, আপনার একটি ই-কমার্স ব্যবসা থাকবে, কিন্তু আপনার কোনো স্টকের দরকার নেই, ডেলিভারিও আপনাকে করা লাগবে না।

ড্রপশিপিং এরকমই একটি অনলাইন ব্যবসা।

কোন পণ্য আগে থেকে না কিনে ইকমার্স ব্যবসা শুরু করার সবচেয়ে সহজ বিকল্প হল ড্রপশিপিং।

এখানে কেউ আপনার ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কিনলে, তাকে একটি কোম্পানী ডেলিভারি সহ সকল কাজ করবে। আপনি শুধু অর্ডার নিবেন ও সেই কোম্পানীকে দিয়ে দিবেন।

অনলাইন বিজনেস আইডিয়া / Online Business Idea

৬. ভিডিও কোর্স

বিজনেস আইডিয়া: ভিডিও কোর্স করিয়ে আয়
ভিডিও কোর্স করিয়ে আয়

মানুষের সাথে সবচেয়ে ভালোভাবে যোগাযোগ করার অন্যতম মাধ্যম ভিডিও।

বর্তমানে অনলাইনে মানুষ শিখতে অনেক আগ্রহী, তারই ধারাবাহিকতায় ভিডিও কোর্সের চাহিদা অনেক।

আপনি চারপাশে লক্ষ করে দেখেন, ভিডিও কোর্সের মাধ্যমে রান্না-বান্না থেকে মেশিনলার্নিং পর্যন্ত শিখছে মানুষ।

যে বিষয়ের উপর আপনার দক্ষতা আছে, একটি ভিডিও কোর্স তৈরি করে ফেলুন। মানুষ যাতে কিনতে পারে, এমন দাম রেখে প্রচার করুন।

এরকম ভিডিও কোর্সের অনলাইন ব্যবসাটি করে অনেক টাকা আয় করতে পারেন।

৭. ফেসবুক পেজের ব্যবসা

ফেসবুক পেজ থেকে অনেক উপায়ে আয় করা যায়। আপনি চাইলেই কোনো ওয়েবসাইট সেট-আপ না দিয়েই ফেসবুক বিজনেস পেজের মাধ্যমে ব্যবসা করতে পারেন।

বর্তমানে বাংলাদেশের কম-বেশি সবাই ফেসবুক চালাই, তাই আপনি একটি পেজ ও একটি গ্রুপ খুলতে পারেন। সেখানে আপনার কোনো পণ্য থাকলে বিক্রি করতে পারেন।

বিভিন্ন টিশার্ট, নকশি কাথা বা আপনার কাছে যে সার্ভিসই থাকুক; আপনি সেটা অনলাইনে ব্যবসায় রুপান্তর করতে পারেন।

৮. অনলাইন বিজনেস: ইউটিউবার

অনেকে ইউটিউবিং করাকে ব্যবসা বলে মনে করে না। কিন্তু আসল সত্য হল, বর্তমানে এটা অনেক লাভজনক একটি ব্যবসা।

ইউটিউবার হলে আপনি ভালো অংকের একটি টাকা আয় করতে পারবেন। বিভিন্ন স্পন্সার নিয়ে, নিজের পণ্য বিক্রি করে, কোর্স বানিয়ে; আর শেষ-মেষ ইউটিউবের এডসেন্স তো আছেই।

আপনি যদি ১ বা ২ লাখ সাবস্ক্রাইবার পান তবে ইউটিউব থেকে যে পরিমাণ আয় করতে পারবেন; আপনি এখন কল্পনাও করতে পারছেন না।

৯. ভিডিও ইডিটিং

অনলাইন বিজনেস আইডিয়া: ভিডিও এডিটিং
ভিডিও এডিটিং

আপনার কি ভিডিও এডিটিংয়ের উপর দক্ষতা আছে?

যদি থাকে তবে ভিডিও ইডিটিং করে ঘরে বসে অনেক টাকা আয় করার সুযোগ রয়েছে। আপনি চাইলে পরবর্তীতে ভিডিও ইডিটিংয়ের টিম গড়ে তুলতে পারেন।

যদি আপনার ভিডিও ইডিটিংয়ের দক্ষতা না থাকে, কিন্তু কাছে ইনভেস্ট করার মতো টাকা থাকে তাহলেও এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

যেমন: আপনি প্রথমে ভিডিও ইডিটিং পারে; এমন কিছু লোককে হায়ার করে নিজের ভিডিও ইডিটিং এজেন্সি গড়ে তুলতে পারেন।

ভবিষ্যতে ভিডিও ইডিটিংয়ের প্রচুর চাহিদা হবে। কারণ বর্তমানে ভিডিওর জনপ্রিয়তা সর্বপরি। বিজ্ঞাপণদাতারাও তাদের ব্যবসার প্রচারের জন্য ভিডিওকেই বেছে নিচ্ছেন।

তাই এখনই সময় ভিডিও ইডিটিং নিয়ে কাজ করার।

১০. এপস ডেভলপমেন্ট

অনলাইনে বিজনেস শুরু করার জন্য এপস ডেভলপমেন্ট খুবই ভালো একটি অপশন।

আপনার কাছে যদি দারুণ দারুন এপসের আইডিয়া থাকে তাহলে আজই কাজে নেমে পড়ুন।

ভবিষ্যতে মোবাইলের ব্যবহার আরো বৃদ্ধি পাবে; তাই অ্যাপের চাহিদা আরো বাড়বে।

বর্তমান সময়ের দিকে নজর দিলেই বোঝা যায়, ভবিষ্যতে অ্যাপের চাহিদা কতটা বৃদ্ধি হতে পারে।

বিজনেস লিডিং কোম্পানী, যেমন: বিকাশ বা নগদ এদের ব্যবসার মূল কি? এপস বা সফটওয়্যার।

আপনি যদি খুবই ভালো একটি এপস বানাতে পারেন, তবে আপনার আর কোনো চিন্তাই করা লাগবে না।

কিভাবে এপস তৈরি করবেন? যদি নিজে কোডিং পারেন নিজে তৈরি করতে পারেন; তা না হলে ফ্রিল্যান্সার বা কোনো এজেন্সির কাছ থেকে তৈরি করে নিন।

১১. ডাটা এন্ট্রি করুন

বর্তমানে ডাটা এন্ট্রি জবটা সবার মাঝে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কারণ কাজটি অতিদ্রুত শেখা যায় ও করা যায়।

ডাটা এন্ট্রি করতে হলে, আপনাকে অনলাইন কিছু টুলসের ব্যবহার যেমন: গুগল শিট, গুগল ডকস, বিভিন্ন ডাটা স্ক্রাপার ইত্যাদির ব্যবহার শিখেই কাজ শুরু করতে পারেন।

বর্তমানে ফাইভার ও আপওয়ার্ক সহ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ডাটা এন্ট্রির প্রচুর চাহিদা আছে। আপনি এসব জায়গায় একাউন্ট করে সহজে কাজ পেতে পারেন।

১২. সিভি রাইটিং

অনেকে আছে চাকরির জন্য ভালোভাবে সিভি লিখতে পারে না।

আপনি যদি ভালোভাবে মানুষের গুণগুলো অন্যের সামনে উপস্থাপণ করতে পারেন; তাহলে আপনি সিভি রাইটার হিসেবে কাজ করতে পারেন।

আপনি অনলাইনে একটি ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইট করে সেখানে বিভিন্ন মানুষকে সিভির অফার করতে পারেন।

তাছাড়া সিভির বিভিন্ন টেমপ্লেট বানিয়ে, সেগুলোকেও বিক্রি করতে পারেন।

১৩. Ghostwriter

ভুতের গল্প কমবেশি সবাই শোনে, এটি অনেকটা রোমাঞ্চকর পটভুমি নিয়ে তৈরি হওয়ার জন্য অনেকের প্রিয়।

আপনি যদি ভালো গল্প বলতে পারেন বা লিখতে পারেন; তহলে ভুতের গল্পদিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

অনেক পত্রিকা বা বই প্রকাশকরা ভুতের গল্প নিয়ে থাকে, তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

অনলাইট প্লাটফর্ম ব্যবহার করেও আপনি ভুতের গল্প থেকে বিজনেস করতে পারেন। যেমন: ইউটিউবে ভুতের গল্প বলতে পারেন।

ইউটিউবে ভুতের গল্প বলার পাশাপাশি একটু এনিমেশনের ব্যবস্থা আপনার ব্যবসার গ্রোথ অনেকগুণ বাড়িয়ে দিবে। তাই কোনো এনিমেটরকে হায়ার বা নিজে এনিমেশন শিখতে পারেন।

ব্লগসাইট বানাতে পারেন, যেখাতে ভুতের গল্প লিখতে পারেন ও গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয় করতে পারেন।

কিভাবে লাভজনক অনলাইন ব্যবসা শুরু করবেন?

এতক্ষন আমরা অনলাইন বিজনেসের বিভিন্ন আইডিয়া নিয়ে কথা বলেছি। বিভিন্ন জায়গা থেকে আপনি আরো আইডিয়া পেয়ে যাবেন।

সমস্যা হল আইডিয়া থাকলেই আপনি ব্যবসা করতে পারবেন না। আইডিয়া নিয়ে কাজ করাটাই বড় বিষয়।

দেখুন অনলাইন বিজনেস শুরু করার জন্য আপনার বেশি টাকার দরকার হবে না, শুধু দরকার ধৈর্য ও সঠিক পরিকল্পনা।

আপনার ব্যবসার আইডিয়া প্রথমের দিকে যতটা সম্ভব ছোট রাখার চেষ্টা করুন। ছোট থেকে শুরু করলেই একটি অনলাইট লিডিং বিজনেস তৈরি করতে পারবে।

অনলাইন বিজনেস শুরু করার কিছু স্টেপ আলোচনা করলাম:-

১. ব্যবসার সিদ্ধান্ত

অনলাইন বা অফলাইনে ব্যবসা করেন, এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি ছাড়া আপনার ব্যবসার কোনো অস্তিত্ব নেই।

অনলাইনে ব্যবসার হাজারও পদ্ধতি বা উপায় রয়েছে। সেখান থেকে আপনি কোন ব্যবসাটা করতে চান বাছাই করুন। আপনি চাইলেও সবব্যবসা করতে পারবেন না।

তাই প্রথমে আপনার অবস্থান ও দক্ষতার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিন; আপনার জন্য কোন বিজনেসটি উপযুক্ত।

আপনি করতে পারবেন এমন কিছু ব্যবসার লিস্ট করে ফেলুন।

২. Industry নিয়ে গবেষণা

আশা করি এতক্ষনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন কোন ব্যবসাটা শুরু করতে চান।

আপনার বিজনেস ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে গবেষণা শুরু করুন। আপনার ব্যবসায়িক প্রতিযোগীদের খুজে বের করুন।

তাদের প্রডাক্টের দূর্বলতা, ভালো দিক, খারাপ দিক সবকিছুর বিস্তারিত গবেষণা করুন। এই স্টেপেই আপনাকে সবচেয়ে বেশি সময় দিতে হবে।

৩. ব্রান্ড তৈরি করুন

প্রতিটি ভালো ব্যবসা একটি ভালো ব্রান্ডের জন্ম দেয়। আপনি যদি প্রথমেই আপনার ব্রান্ডকে ভালো করে গড়ে তুলতে পারেন; সেটা আপনার সফলতার প্রথম সিড়ি।

অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি ভালো ব্রান্ড হতে হলে কিছু বিষয় একান্ত জরুরী। যেমন: সোস্যাল পেজ, ওয়েবসাইট, অসাধারণ লোগো ও দারুন মার্কেটিং স্ট্রাটেজি। একটি মোবাইল এপস থাকলে আরো ভালো।

অনলাইন ব্যবসা চলে সম্পূর্ণ বিশ্বাসের উপর আর এগুলো থাকলে আপনার কোম্পানী সম্পর্কে সবার একটি ভালো ধরণা তৈরি হবে।

৪. Great Customer

Online Business এর শেষ ধাপ হল কাস্টমার পাওয়া। আপনি যদি কিছু ভালো কাস্টমার পেয়ে যান, তাহলে আপনার ব্যবসা সফল।

এই গ্রাহকদের খুঁজে বের করার জন্য আপনাকে আপনার দর্শকদের সামনে কিভাবে আসতে হবে, গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করার জন্য সঠিক বার্তা প্রেরণ করা এবং একটি মূল্য কাঠামো তৈরি করা উচিত যা বেশিরভাগ গ্রাহকদের জন্য কার্যকরভাবে গ্রাহকদের যা প্রয়োজন তা প্রদান করে।

অনলাইন বিজনেস আইডিয়া : Conclusion

এটি একটি নতুন বছর এবং আপনার জন্য একটি নতুন ব্যবসা শুরু করার এবং আপনার জন্য একটি সম্পূর্ণ আর্থিক এবং জীবনধারা স্বাধীনতা তৈরি করার একটি নতুন সুযোগ।

খব বেশি ভাবলে ব্যবসা শুরু করা যায় না। কারণ ব্যবসায় যে লাভ হবে বা আপনি প্রফিট করতে পারবেন এর গ্যারান্টি কেউ দিতে পারবে না।

ব্যবসা মানেই রিস্ক, আপনি রিস্ক নিতে পাররে হয়তো একটি সফল স্টার্টআপ দাড় করাতে পারবেন।

অধিকাংশ সময় দেখা যায় মানুষ বিজনেস আইডিয়া গুলো পড়ে, খুব মটিভেশন পায়; বলে কাল থেকে শুরু করবে।

দুঃখের বিষয় সেই কালটা আর আসে না, আমার ক্ষেত্রেও এমনটা হয়েছে। তাই যা করার আজ থেকেই করুন।

Summary: বেস্ট অনলাইন বিজনেস আইডিয়া ২০২১

১. ব্লগ থেকে আয়

২. অ্যাফিলিয়েট এবং সিপিএ মার্কেটিং

৩. ওয়েবসাইট ক্রয়-বিক্রয়

৪. ডোমেইন ক্রয়-বিক্রয়

৫. ‍ড্রপশিপিং ব্যবসা

৬. ভিডিও কোর্স

৭. ফেসবুক পেজের ব্যবসা

৮. অনলাইন বিজনেস: ইউটিউবার

৯. ভিডিও ইডিটিং

১০. এপস ডেভলপমেন্ট

১১. ডাটা এন্ট্রি করুন

১২. সিভি রাইটিং

১৩. Ghostwriter

আরো কিছু অনলাইন বিজনেস আইডিয়া :-

আরো অনেক রকমের অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া পেয়ে যাবেন। শুধুমাত্র আপনাকে যেকোনো একটি টপিক বেছে নিয়ে সেটার উপর কাজ শুরু করতে হবে।

প্রযুক্তির প্রতি চরম আকর্ষণ থেকেই টেলিকমিউনিকেশনে পড়ছি। প্রযুক্তির কঠিন বিষয়গুলি সহজভাবে মানুষকে বলতে খুবই ভাল্লাগে। এই ভালোলাগা থেকেই লেখালিখি শুরু। ওয়েব ডেভলপমেন্ট ও নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা আমার নেশা ও পেশা।

মন্তব্য করুনঃ-